কয়লা পাচারকাণ্ডে ভবানী ভবনে হাজিরা দিচ্ছেন না জিতেন্দ্র 

কয়লা পাচারকাণ্ডে দীনেশ মণ্ডল, অজয় মণ্ডল ও সঞ্জয় চক্রবর্তী, এই তিন ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার অফিসারকে তলব করা হয়েছিল।

কয়লা পাচারকাণ্ডে  ভবানী ভবনে হাজিরা দিচ্ছেন না জিতেন্দ্র 

ট্রাইব টিভি ডিজিটাল: পুরোনো কয়লা পাচার মামলায় এবার তেড়ে ফুঁড়ে আসরে নামছে সিআইডি। আসরে নেমেই সরাসরি আসানসোলের হেভিওয়েটকে টার্গেট রাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থার। প্রাক্তন মেয়রকে নোটিশ ধরাল সিআইডি।
কয়লাপাচার কাণ্ডে জিতেন তিওয়ারিকে তলব করেন গোয়েন্দারা। 

শুক্রবার তাঁকে ভবানী ভবনে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কয়লাপাচারের তদন্তে নেমে বেশ কয়েকজনকে ইতিমধ্যেই জেরা করেছে সিআইডি। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে মিলেছে বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। তার ভিত্তিতেই জিতেন তিওয়ারিকে তলব করা হয়। কয়লাপাচার কারবারের মূল সময়টা জিতেন তিওয়ারি আসানসোল পুরসভার মেয়র ছিলেন। তাঁর পুরসভা এলাকার মধ্যেও কয়লাপাচারকারীরা সক্রিয় ছিল। সে সময় প্রশাসক হিসাবে তাঁর ভূমিকা ঠিক কী ছিল? এসব জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আজ তাঁকে ভবানী ভবনে তলব করা হয়েছে। যদিও তিনি আজ কলকাতায় ভবানী ভবনে হাজিরা দিচ্ছেন না বলেই সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে। 

অন্যদিকে, কয়লা পাচারকাণ্ডে দীনেশ মণ্ডল, অজয় মণ্ডল ও সঞ্জয় চক্রবর্তী, এই তিন ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার অফিসারকে তলব করা হয়েছিল। তার আগের দিনও ৩ পুলিশ আধিকারিককে এই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করে সিআইডি। এই মামলায় ১০ জন পুলিশ আধিকারিককে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চেয়ে তলব করা হয় সিআইডির তরফে, যাঁরা ২০১৯ থেকে ২০২১ পর্যন্ত খনি এলাকায় কর্মরত ছিলেন। তার আগে, অগাস্টের শুরুতে সঞ্জয় মালিক নামে এক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছিলেন সিআইডি আধিকারিকরা। হরিয়ানার একটি ফার্ম হাউসে অভিযান চালিয়ে ওই ব্যবসায়ী গ্রেফতার করা হয়েছিল বলে সূত্রের খবর। তিন দিনের ট্রানজিট রিমান্ডে সঞ্জয় মালিককে কলকাতায়ও নিয়ে আসা হয়েছিল। 

একই মামলায় ধৃত বারিক বিশ্বাসকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তল্লাশি অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার সঞ্জয় মালিককে ধরা হয় বলে সূত্রে খবর। এবার তলব বিজেপি নেতাকে। বিষয়টি নিয়ে এর মধ্যেই রাজনৈতিক মহলে প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। প্রতিক্রিয়া ও পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিজেপি ও তৃণমূল নেতারা। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীর অবশ্য বক্তব্য, 'একে অন্যের সঙ্গে কোলাকুলি করে চলছে।'