Last Updated on [modified_date_only] by Anustup Roy Barman
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: বয়স হয়েছে প্রায় ৭৪, কিন্তু কাজ থামিয়ে রাখেননি। অভিনয়ের প্রতি ভালোবাসা এতটাই গভীর যে, কাজের থেকে নিজেকে দূরে রাখতেই পারেন না। ইন্ডাস্ট্রির সুপারস্টার মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। বলিউড থেকে টলিউড, পাশাপাশি ভারতের একাধিক আঞ্চলিক ইন্ডাস্ট্রিতে তাঁর একটা পোক্ত জায়গা রয়েছে। একদিকে চলছে ডান্স বাংলা ডান্সের শুটিং। অপরদিকে চলছে ছবির কাজ। সবটা ব্যালেন্স করছেন কী করে? ডান্স বাংলার ডান্সের (Dance Bangla Dance) শুটিং সেটে ক্যামেরার পিছনে মহাগুরুর সাথে ঠিক কী ঘটে? হল্লা পার্টির দৌরাত্ম্য কীভাবে সামলান মহাগুরু? ট্রাইব টিভির সাক্ষাৎকারে উঠে এল নানান অজানা কথা।
অভিনয়ের প্রতি ভালোবাসা (Mithun Chakraborty)
“জীবন যেমন চলবে, এখন সে রকম ভাবেই চলতে হবে।” এমনটাই বক্তব্য মিঠুন চক্রবর্তীর (Mithun Chakraborty)। এখন কাজে কাজেই সময় কাটছে তাঁর। ডান্স বাংলা ডান্সের শুটিং নিয়ে মহাগুরু এখন বেশ ব্যস্ত। অভিনেতার বয়স প্রায় ৭৪। এই বয়সে এসেও এত এনার্জি নিয়ে তিনি কাজ করছেন। সিক্রেটটা কী? এই প্রশ্নের উত্তরে অভিনেতা ট্রাইব টিভিকে বলেন , শুধু একটাই শব্দ ‘ভালোবাসা’। বলেন “প্রফেশনের প্রতি যে ভালোবাসা, এই ভালোবাসাই আমাকে স্পিরিট দেয়, আমাকে শক্তি দেয়, আমাকে ক্ষমতা দেয়।”
মিঠুন কি কলকাতায় থাকেন? (Mithun Chakraborty)
ডান্স বাংলা ডান্সের পাশাপাশি চলছে ছবির শুটিংয়ের কাজ। শীঘ্রই নতুন ছবি রিলিজও করবে। সেক্ষেত্রে মহাগুরুর (Mithun Chakraborty) কলকাতায় কি থাকা হয়? উত্তরে মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, “শুধু শুটিং নয়, পলিটিক্যাল কিছু কাজ রয়েছে। যার কারণে কলকাতায় থাকতে হয়। এছাড়া এখনও কিছু প্রোমোশনের কাজ বাকি। তারপর বোম্বে যাব। তেলেগু ফিল্মের শুটিংও রয়েছে।”
গ্যাং সামলাতে হয় মিঠুনকে
ডান্স বাংলা ডান্সের প্রতি সিজনে কিছু নতুনত্ব থাকে। এবারের বিশেষত্ব হল হল্লা পার্টি। একগুচ্ছ ক্ষুদে রীতিমত শুটিং ফ্লোর মাতিয়ে রাখে। আর ক্ষুদেদের দায়িত্ব থাকে মহাগুরুর উপর। মিঠুন চক্রবর্তীর কথায়, “এখানে পুরো গ্যাং আমাকে সামলাতে হয়। সবাই আমার উপর ছেড়ে দিয়ে চুপচাপ বসে থাকে।”
আরও পড়ুন: Sanjay Dutt: ‘বলিউড বড্ড নাক উঁচু’, পাত্তা পাচ্ছে না সঞ্জয়ের ছবি? বিস্ফোরক অভিনেতা
গরমেও শুটিংয়ের কাজ
প্রসঙ্গত, এখন বৈশাখ মাস। এক দিকে বৈশাখের তপ্ত আবহ অপরদিকে শুটিংয়ের কাজ। অভিনেতার কাজ করতে অসুবিধা হয় না? এ প্রসঙ্গে মিঠুন চক্রবর্তী বলেন “গরম আমি সহ্য করতে পারি না। আউটডোর শুটিংয়ের ক্ষেত্রে রীতিমত পাগল হয়ে যাই। তবে এখন অনেক পরিবর্তন হয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এয়ারকন্ডিশন স্টুডিও। এমনকি শুটিং ফ্লোর পর্যন্ত এসি করে দেওয়া হয়েছে।”
আরও পড়ুন: Neha Kakkar: ফাঁস নেহার আসল সত্যি! মেলবোর্নে সেদিন কী হয়েছিল?
কী কী মিস করেন অভিনেতা?
পুরনো দিনের শুটিংয়ের সময় যে আমেজ ছিল, এখন কি সেই আমেজটাই আছে? নাকি অনেক পরিবর্তন হয়েছে? পুরনো দিনের শুটিংয়ের সেই দিনগুলোর কথা কি মহাগুরু মিস করেন? এ প্রসঙ্গে মিঠুন চক্রবর্তীর বক্তব্য “পুরনো ভালো, নতুন ভালো। কিন্তু পুরনো দিনে আমরা সবাই একসাথে খাওয়া দাওয়া করতাম। এখন যে যার ভ্যানিটি ভ্যানে খাবার খায়, আড্ডা দেয়।”