Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: প্রযুক্তির জগতে আলোড়ন তুলেছিল ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি (ChatGPT 5)। ২০২২ সালের নভেম্বরে আত্মপ্রকাশের পর থেকেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর এই চ্যাটবট বদলে দিয়েছে মানুষের সঙ্গে প্রযুক্তির সম্পর্কের সমীকরণ। তবে নতুন সংস্করণ চ্যাটজিপিটি-৫ ঘিরে এবার উঠেছে কিছু প্রশ্ন, যার উত্তর দিতে হচ্ছে খোদ সংস্থার সিইও স্যাম অল্টম্যানকেও।
সাধারণ প্রশ্নের জবাব দিতেও হিমশিম! (ChatGPT 5)
সম্প্রতি চ্যাটজিপিটি-৫ ব্যবহারকারীদের অনেকে অভিযোগ (ChatGPT 5) করেছেন, আগের সংস্করণগুলোর তুলনায় এটি অনেকটাই অনুৎসাহী এবং নিস্তরঙ্গ। কথাবার্তায় আগ্রহের ঘাটতি লক্ষ করা যাচ্ছে বলে দাবি করেছেন অনেকেই। অনেকে বলছেন, খুব ছোট ছোট উত্তরে কাজ সারছে বটটি, এমনকি কোনও সাধারণ প্রশ্নের জবাব দিতেও হিমশিম খাচ্ছে মাঝে মাঝে। যদিও অল্টম্যান শুরুতে GPT-5-এর দক্ষতার প্রশংসা করলেও, তিনি নিজেও সম্প্রতি এর কিছু সীমাবদ্ধতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
তিনটি ভিন্ন মোডে আলাপচারিতার সুযোগ (ChatGPT 5)
এই পরিস্থিতিতে ওপেনএআই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনার (ChatGPT 5)। তারা জানিয়েছে, এখন থেকে ব্যবহারকারীরা চ্যাটজিপিটি-৫-এ তিনটি ভিন্ন মোডে আলাপচারিতা করতে পারবেন। নতুন সংযোজনগুলির মধ্যে রয়েছে ‘অটো’, ‘ফাস্ট’ এবং ‘থিঙ্কিং’ মোড।
পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রতিক্রিয়া
‘অটো’ মোডটি হবে ডিফল্ট, যেখানে AI তার মতো করে পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রতিক্রিয়া দেবে। তবে ইউজার চাইলে বেছে নিতে পারবেন ‘ফাস্ট’ মোড-যেখানে দ্রুত উত্তর পাওয়ার সুবিধা মিলবে, কিংবা ‘থিঙ্কিং’ মোড-যেখানে বটটি চিন্তাভাবনা করে গভীর, বিশ্লেষণাত্মক উত্তর দেবে।
ব্যবহার সীমিত
তবে এই ‘থিঙ্কিং’ মোডের ব্যবহার সীমিত। ব্যবহারকারীরা প্রতি সপ্তাহে সর্বাধিক ৩ হাজার বার মেসেজ করতে পারবেন এই মোডে। নির্ধারিত সীমা ছাড়িয়ে গেলে, সিস্টেম নিজেই ‘থিঙ্কিং মিনি’ মোডে চলে যাবে, যাতে কিছুটা সীমিত ক্ষমতায় হলেও কাজ চালানো যায়। এই নতুন ব্যবস্থার ফলে একদিকে যেমন ব্যবহারকারীর হাতে থাকবে বেশি নিয়ন্ত্রণ, তেমনই বিভিন্ন প্রেক্ষিতে আলাদা ধরনের প্রতিক্রিয়া পাওয়ার সুযোগও তৈরি হবে। অল্টম্যান জানিয়েছেন, ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতাকে আরও সাবলীল ও সন্তোষজনক করে তুলতেই এই আপডেট।
আরও পড়ুন: Puri Jagannath Mandir: উড়িয়ে দেওয়া হবে, জগন্নাথ মন্দিরে জঙ্গি হামলার হুমকি!
তবে এই আপডেটের মাঝেও উদ্বেগ রয়ে যাচ্ছে। কিছু রিপোর্টে দাবি, চ্যাটজিপিটি মাঝে মাঝে বিপজ্জনক তথ্যও শেয়ার করছে, এমনকি আত্মহত্যার প্ররোচনা দেয় এমন কথাও বলা হয়েছে। ফলে শুধু প্রযুক্তিগত নয়, নৈতিক দায়বদ্ধতাও আরও বড় হয়ে উঠছে ওপেনএআই-এর সামনে।