Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: পুজো আসতে আর মাত্র হাতেগোনা কয়েকটা দিন বাকি (Natural skin care)। চারপাশে প্রস্তুতির হাওয়া—বাজারে ভিড়, নতুন জামাকাপড় কেনা, জুতো, গয়না, শাড়ি, পাঞ্জাবি—সবই তালিকায় জায়গা পাচ্ছে। কিন্তু উৎসবের আমেজে শুধুমাত্র সাজগোজেই মন দিলে চলবে না, কারণ পুজোর সময়ে নিজের ত্বকের উজ্জ্বলতা আর স্বাস্থ্যও সমান গুরুত্বপূর্ণ। নিখুঁত মেকআপ বা দামি পোশাকের সঙ্গে যদি ত্বক শুষ্ক, রুক্ষ বা ব্রণয় ভরা হয়ে যায়, তবে পুরো সাজটাই মাটি হয়ে যাবে। তাই এখন থেকেই ঘরোয়া উপায়ে ত্বকের যত্ন নেওয়া শুরু করলে পুজোর দিনগুলোতে মুখে আসবে প্রাকৃতিক জেল্লা।
সহজ ঘরোয়া উপায় দেওয়া হল যা নিয়মিত ব্যবহার করলে পুজোর সময় ত্বক পাবে অনন্য ঔজ্জ্বল্য—
চকোলেট ও কফি (Natural skin care)
বয়সের আগেই ত্বকে বলিরেখা, সূক্ষ্ম রেখা বা রোদে পোড়া দাগ—এসবের জন্য অন্যতম কারণ সূর্যের ক্ষতিকারক ইউভি রশ্মি এবং দূষণ। চকোলেট (বিশেষ করে কোকো পাউডার) ও কফিতে থাকে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, যা ত্বককে ফ্রি র্যাডিক্যালের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে এবং সূর্যের প্রভাব কমায়।
যেভাবে ব্যবহার করবেন:
- ২ চামচ কোকো পাউডার
- ১ চামচ কফি পাউডার
- ২-৩ চামচ টক দই
মধু, ওটস ও দুধ (Natural skin care)

ওটসে থাকা প্রাকৃতিক ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ত্বকের মৃত কোষ তুলতে সাহায্য করে। মধু ত্বককে আর্দ্র রাখে, আর দুধে থাকা ল্যাকটিক অ্যাসিড প্রাকৃতিকভাবে ত্বক উজ্জ্বল করে।
যেভাবে ব্যবহার করবেন:
- ২ চামচ ওটস
- ১ চামচ কাঁচা মধু
- প্রয়োজনমতো দুধ
গোলাপজল ও টম্যাটো (Natural skin care)
টম্যাটোর লাইকোপিন ত্বকের রঙ সমান করে, দাগ হালকা করে এবং সানট্যান কমায়। গোলাপজল প্রাকৃতিক টোনার হিসেবে কাজ করে, যা ত্বকের পিএইচ ব্যালান্স ঠিক রাখে ও ছিদ্র সংকুচিত করে।
যেভাবে ব্যবহার করবেন:
- ২ চামচ টম্যাটোর রস
- ২ চামচ গোলাপজল
পুজোর আগে ত্বকের যত্নের বাড়তি টিপস
- প্রতিদিন অন্তত ৮-১০ গ্লাস জল পান করুন।
- যতটা সম্ভব জাঙ্ক ফুড ও অতিরিক্ত তেলমশলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন।
- বাইরে বের হলে সানস্ক্রিন অবশ্যই লাগান, এমনকি মেঘলা দিনেও।
- ঘুম কম হলে ত্বক দ্রুত বুড়িয়ে যায়—তাই অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম জরুরি।
- ফেসপ্যাক লাগানোর আগে মুখ ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিন।
আরও পড়ুন: Kolkata Police: পুলিশেরই উপর লাঠিচার্জ! গ্রেফতার এক!
এই ঘরোয়া যত্নের রুটিন এখন থেকেই শুরু করলে পুজোর সময় ত্বকে আসবে একেবারে স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা—যা কোনো মেকআপের ঝলককেও হার মানাবে। আর সবচেয়ে বড় কথা, এতে ত্বকের স্বাস্থ্য যেমন ঠিক থাকবে, তেমনই কেমিক্যালের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকেও থাকবেন মুক্ত।