Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: আজকের দিনে মোবাইল ফোন (WhatsApp Earning) মানেই সোশ্যাল মিডিয়া। আর তার মধ্যে সবচেয়ে ব্যবহৃত অ্যাপগুলোর একটি হল হোয়াটসঅ্যাপ। সাধারণত চ্যাটিং, ফাইল শেয়ারিং বা ভিডিও কলের জন্যই ব্যবহার করা হয় এই অ্যাপ। তবে অনেকেই জানেন না, এই প্ল্যাটফর্ম এখন শুধুই যোগাযোগের মাধ্যম নয়, বরং হতে পারে আপনার আয়েরও উৎস। একটু বুদ্ধি খাটালেই হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ঘরে বসেই উপার্জন করা সম্ভব। চলুন দেখে নেওয়া যাক, কীভাবে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে আপনি মাসে বাড়তি কিছু উপার্জন করতে পারেন।
১. অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং (WhatsApp Earning)
বিভিন্ন ই-কমার্স সাইট যেমন অ্যামাজন বা ফ্লিপকার্টে (WhatsApp Earning) রয়েছে অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম। আপনি সেখানে রেজিস্টার করে নির্দিষ্ট পণ্যের লিঙ্ক জেনারেট করতে পারেন এবং সেই লিঙ্ক হোয়াটসঅ্যাপে আপনার বন্ধু, পরিবার বা গ্রুপে শেয়ার করতে পারেন। কেউ সেই লিঙ্ক থেকে পণ্য কিনলেই আপনি পাবেন কমিশন। প্রচেষ্টা যত বেশি, রোজগারও তত বেশি।
২. পেইড হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ চালিয়ে আয় (WhatsApp Earning)
আপনি যদি কোনও নির্দিষ্ট বিষয়ে দক্ষ হন–যেমন স্টক মার্কেট (WhatsApp Earning), ফিটনেস, রান্না বা শিক্ষা-তাহলে একটি পেইড হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ তৈরি করতে পারেন। সদস্যদের থেকে মাসিক বা এককালীন সাবস্ক্রিপশন ফি নিয়ে আপনি তাঁদের বিশেষ তথ্য, টিপস বা কোচিং দিতে পারেন। এতে আপনি প্যাশন ও প্রফেশনের একটি সুন্দর সমন্বয় করতে পারবেন।
৩. রেফারেল প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ
বিভিন্ন অ্যাপ কোম্পানি রেফারেল প্রোগ্রামের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের ইনসেনটিভ দিয়ে থাকে। আপনি যাদের রেফার করবেন, তারা যদি সেই অ্যাপ ডাউনলোড করেন বা ব্যবহার করেন, তাহলেই আপনি রিওয়ার্ড পাবেন। হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে এই রেফারেল লিঙ্ক ছড়িয়ে দিতে পারেন আপনার পরিচিতদের মধ্যে।
৪. পণ্য বিক্রি করে আয়
আপনি যদি নিজে কিছু তৈরি করেন বা হোম বেসড ব্যবসা করেন, তাহলে হোয়াটসঅ্যাপ হতে পারে আপনার ডিজিটাল দোকান। হোয়াটসঅ্যাপ বিজনেস অ্যাকাউন্টে প্রোডাক্ট ক্যাটালগ তৈরি করে, আপনি সরাসরি ক্লায়েন্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিক্রি করতে পারেন। চাহিদা বাড়াতে পারেন স্ট্যাটাস ও ব্রডকাস্টের মাধ্যমে।

আরও পড়ুন: World Photography Day: ছবিপ্রেমীদের ভিড় কলকাতায় “ফটোগ্রাফিয়া ২০২৫”
সাবধানতা জরুরি
হোয়াটসঅ্যাপ থেকে আয় করার নানা উপায় থাকলেও, সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে প্রতারণার ঘটনাও। অনেকে ভুয়ো স্কিম বা লোভনীয় অফারের ফাঁদে ফেলে টাকা হাতিয়ে নেয়। তাই যেকোনও অফারে যুক্ত হওয়ার আগে যাচাই করে নিন, আর কোনও ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করবেন না।