Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: বয়স বাড়লেও হার্ট থাকবে ফিট, যদি মেনে চলতে পারেন এই নিয়মগুলো। কিছু অভ্যেস মেনে চললে কমতে পারে হৃদরোগের ঝুঁকি (Health Tips)।
হার্ট ভাল রাখার ৪ মন্ত্র (Health Tips)
হার্ট আমাদের শরীরের ইঞ্জিনের কাজ করে। প্রধান চালক শক্তি হিসেবে হার্টকে ভাল রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তবে বয়স বাড়ার সাথে সাথে বাড়তে থাকে হার্টের ঝুঁকি। প্রধানত ৬০-৭০ বছর বয়সের মধ্যে হার্টের নানা সমস্যা দেখা যায়। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল বা হার্ট অ্যাটাকের মতো সমস্যায় ভুগতে শুরু করেন বেশিরভাগ মানুষ বয়স বাড়ার সাথে সাথে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে কিছু সহজ অভ্যেস মেনে চললে বয়সেও হার্ট থাকবে সতেজ।
প্রতিদিন শরীরচর্চা
হাজার ব্যস্ততার মধ্যেও রোজ নিয়ম করে শরীরচর্চা করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। নিয়মিত হালকা ব্যায়াম যেমন সকালে আধঘণ্টা হাঁটা, যোগাভ্যাস বা স্ট্রেচিং শরীরের রক্তসঞ্চালন ভাল করে, বাড়তি চর্বি কমায় এবং হার্টকে মজবুত রাখে (Health Tips)।
সঠিক খাবার গ্রহণ
বয়স বাড়ার সাথে সাথে বেশ কিছু নিয়ম মেনে চলা দরকার। যার মধ্যে অন্যতম হলো খাবার নির্বাচন। বয়স বাড়লে ভারী, তেল-মশলাদার বা প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। বদলে বেশি করে শাকসবজি, মরশুমি ফল, ডাল, ওটস, বাদাম ও সহজপাচ্য খাবার খাওয়া দরকার। নুন ও চিনি কম খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা (Health Tips)।

আরও পড়ুন: Shah Rukh Khan: ভীষণ বোরিং শাহরুখ! বিস্ফোরক দাবি বোমান ইরানির
মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা ও পর্যাপ্ত ঘুম
মানসিক চাপের ফলে তার প্রভাব পরে শরীরের অন্যান্য অঙ্গে। অতিরিক্ত মানসিক চাপ বা দুশ্চিন্তা হার্টের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। নিয়মিত মেডিটেশন, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো বা নিজের শখ পূরণ করলে মন স্থির থাকে এবং হৃদপিণ্ডও সুস্থ থাকে। মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি দরকার পর্যাপ্ত ঘুম। বিশেষজ্ঞদের মতে, ৬ থেকে ৭ ঘণ্টার ভাল মানের ঘুম বয়স্কদের জন্য অত্যন্ত জরুরি। যথেষ্ট ঘুম না হলে রক্তচাপ বেড়ে যায়, হার্টের ওপর চাপ পড়ে এবং বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়ে (Health Tips)।
নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা
একটা বয়সের পর সবারই উচিত নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা। বয়স বাড়ার সাথে সাথে শরীরে নানান পরিবর্তন দেখা যায়। সেই কারণেই সময়মতো ডাক্তার দেখানো এবং রক্তচাপ, সুগার, কোলেস্টেরল, ইসিজির মতো রুটিন চেক আপ করা উচিত। এতে রোগ আগেভাগে ধরা পড়ে এবং সঠিক চিকিৎসা নেওয়া সম্ভব হয় (Health Tips)।