Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: কলকাতা মেট্রো আজ (Kolkata Metro Services) থেকে আরও বিস্তৃত ও আধুনিক রূপে যাত্রী পরিষেবা শুরু করল, চালু হল নতুন হলুদ ও কমলা রঙের দুটি মেট্রো লাইন। এই সম্প্রসারণের ফলে শহরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল এখন সহজেই সংযুক্ত হয়ে গেল দ্রুত গতির পরিবহণ ব্যবস্থার সঙ্গে।
আজ থেকে পরিষেবা শুরু (Kolkata Metro Services)
ইয়েলো লাইনে আজ থেকে পরিষেবা শুরু হয়েছে নোয়াপাড়া থেকে (Kolkata Metro Services) জয়হিন্দ বিমানবন্দর পর্যন্ত। নোয়াপাড়া থেকে যশোর রোড, দমদম ক্যান্টনমেন্ট হয়ে মাত্র ১০ মিনিটে পৌঁছে যাওয়া যাবে বিমানবন্দরে, যা আগের তুলনায় অনেকটাই সুবিধাজনক এবং সময় সাশ্রয়ী। অন্যদিকে, অরেঞ্জ লাইনে নিউ গড়িয়া থেকে রুবি হয়ে বেলেঘাটা পর্যন্ত রুট সম্প্রসারণের ফলে এখন নিউ গড়িয়া থেকে সোজা যাওয়া যাবে সেক্টর ফাইভ, যেখানে পৌঁছাতে সময় লাগবে ২৩ মিনিট।
নোয়াপাড়া এখন আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ (Kolkata Metro Services)
শহরের অন্যতম ব্যস্ত জংশন হিসেবে নোয়াপাড়া এখন আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে (Kolkata Metro Services)। কারণ এখান থেকেই এখন ট্রেন চলে ব্রিজি, দক্ষিণেশ্বর ও এবার থেকে বিমানবন্দর পর্যন্তও। এর ফলে একাধিক দিক থেকে যাত্রীরা এখান থেকে সহজেই গন্তব্যে পৌঁছতে পারবেন। এই নতুন সংযোগে নোয়াপাড়া থেকে বিমানবন্দর যেতে ভাড়া ধরা হয়েছে ২০ টাকা। দমদম যেতে ৩০ টাকা এবং ধর্মতলা হয়ে গ্রিন লাইনে সেক্টর ফাইভ যেতে সর্বোচ্চ ৭০ টাকা খরচ পড়বে।
মাত্র তিন মিনিটের যাত্রা
এর আগে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর নতুন অংশ, অর্থাৎ শিয়ালদা থেকে এসপ্ল্যানেড পর্যন্ত পরিষেবা চালু হয়েছে মাত্র তিন মিনিটের যাত্রায়। যদিও শুক্রবার সন্ধ্যাবেলা চালু হওয়ায় এবং পরদিন শনিবার ছুটি থাকায় যাত্রী সংখ্যা খুব বেশি ছিল না, তবুও একদিনেই এই রুটে আয় হয়েছে প্রায় ২৫ লক্ষ টাকা, যা থেকে স্পষ্ট মেট্রোর প্রতি মানুষের আস্থা এবং আগ্রহ। এখন নজর রয়েছে নতুন হলুদ ও কমলা লাইনের আয় ও যাত্রী সংখ্যার দিকে।

আরও পড়ুন: Stock Market Holiday: আগামী সপ্তাহে মাত্র চার দিন খোলা থাকবে শেয়ার বাজার! কবে থাকবে ছুটি?
তবে এই নতুন সম্প্রসারণ যতই আনন্দের হোক, এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে একটি বড় প্রশ্ন-মেট্রো কর্তৃপক্ষের কাছে পর্যাপ্ত কর্মী ও আধিকারিক আছে তো? কর্মচারী ইউনিয়নের দাবি, একাধিক বিভাগে লোকবলের অভাব রয়েছে। সেই কারণে এত বড় একটি নেটওয়ার্ক চালিয়ে যাওয়া এবং যাত্রীদের যথাযথ পরিষেবা দেওয়া মেট্রোর কাছে এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।