Sheikh Shahjahan: মেসার্স শেখ সাবিনা ফিসারির মাধ্যমে কালো টাকা সাদা! আদালতে বিস্ফোরক ED

বাকি ৩৫-৪০ শতাংশ চিংড়ি আসত শেখ শাহজাহানের দখল করে নেওয়া আদিবাসীদের ভেড়ি থেকে। শাহজাহানের সংস্থার ম্যানেজারের বয়ান হাতিয়ার করে আদালতে রিপোর্ট ইডির। বিস্তারিত জানুন...

Sheikh Shahjahan: মেসার্স শেখ সাবিনা ফিসারির মাধ্যমে কালো টাকা সাদা! আদালতে বিস্ফোরক ED
শেখ শাহজাহান (ফাইল চিত্র)

ট্রাইব টিভি ডিজিটাল: শেখ শাহজাহানের বিপুল টাকার উৎস সন্ধানে মরিয়া ইডি (ED)। শেখ শাহজাহানকে হেফাজতে পাওয়ার পর দ্বিতীয় দিনে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করল ইডি। ইডির হাতিয়ার শাহজাহানের সংস্থা 'শেখ সাবিনা ফিশারি'র ম্যানেজার মহিদুল মোল্লার বয়ান। ভেড়ির আড়ালে ১১ বছরে ২টি সংস্থার মাধ্যমে শেখ শাহজাহানের অ্যাকাউন্টে ১৩৭ কোটি। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য খতিয়ে দেখে দাবি ED-র। 'শেখ সাবিনা ফিশারির' মাধ্যমেই মাছ বিক্রি করতে হবে, নাহলে বাপসা বন্ধের হুমকি। ২০১৯-এ সন্দেশখালির শাহজাহান মার্কেটের মাছ ব্যবসায়ীদের হুমকি দিয়েছিল শেখ শাহজাহান। শাহজাহানের চিংড়ি ব্যবসার ৫০ শতাংশই আসত মার্কেটের ব্যবসায়ীদের কাছে।

বাকি ৩৫-৪০ শতাংশ চিংড়ি আসত শেখ শাহজাহানের দখল করে নেওয়া আদিবাসীদের ভেড়ি থেকে। শাহজাহানের সংস্থার ম্যানেজারের বয়ান হাতিয়ার করে আদালতে রিপোর্ট ইডির। আদালতে ইডির রিপোর্ট এ শাহজাহানের সহযোগী হিসাবে বেশ কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে মইদুল মোল্লাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পাওয়া গিয়েছে, ১) আজিজুল মোল্লা ২) সাবির গাজী ৩) রেজাউল নাইয়া ৪) নাসির শেখ সহ একাধিক ব্যাক্তির নাম। এদের বেআইনিভাবে ভেরির মালিক বানাত শাহজাহান। অভিযোগ পুরোটাই নিয়ন্ত্রণ করত শাহজাহান। 

আরও পড়ুন: https://www.tribetv.in/Heavy-earthquake-heat-in-taiwan

পাশাপাশি এদের নামে প্রচুর বেআইনি সম্পত্তি তৈরি করা হয়েছে। মইদুল মোল্লার আরও দাবি, ১) দিদার বাক্স মোল্লা ২) শিবু হাজরা ৩) শেখ আলমগীর ৪) শেখ সিরাজউদ্দিন এদের মাধ্যমে টাকার লেনদেন করা হতো। শেখ শাহজাহানের নির্দেশে নগদ টাকা নিয়ে আসতেন মইদুল মোল্লা। যাঁরা ভেড়ির ব্যবসা দেখভাল করতেন, তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রক ছিলেন শেখ শাহজাহান। শেখ শাহাজাহানের ২ভাই শেখ সিরাজউদ্দিন ও শেখ আলমগিরের নাম উঠে এসেছে। ১৩৭ কোটি টাকার বাইরে কোথায় কত সম্পত্তি আছে শেখ শাহজাহানের তার তালিকা তৈরি করার প্রক্রিয়া চালাচ্ছেন ইডির আধিকারিকরা।