Last Updated on [modified_date_only] by Ananya Dey
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল : প্রাথমিকের ৩২ হাজার চাকরি বাতিল মামলায় ‘কে সুবিধা পেয়েছে, কে পায়নি সেটা দেখব না (Calcutta High Court)। দুর্নীতি দেখলে পদক্ষেপ করব’- কড়া মন্তব্য বিচারপতি তপব্রত চক্রবর্তীর। টেট পরীক্ষায় দুর্নীতি হয়ছে প্রমাণিত। আর তাই প্রাথমিক নিয়োগও দুর্নীতিযুক্ত বলে মনে করছে আদালত (Calcutta High Court)। আগামী ৭ জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানি।
স্পাইরাল বাইন্ডিংয়ের তথ্য কী করে গ্রহনযোগ্যতা পেল? (Calcutta High Court)
শিক্ষকদের একাংশের আইনজীবী অনিন্দ্য মিত্র এদিন আদালতে সওয়ালে বলেন, স্পাইরাল বাইন্ডিংয়ের তথ্য কী করে গ্রহনযোগ্যতা পেল? বোর্ড কিছু বাধা দেয়নি। ২০১৪ সালের টেটে ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়া (Calcutta High Court)। এস বসু রায় সংস্থার হাতে ওএমআর শিটের মূল্যায়নের দায়িত্ব ছিল। সমস্ত দুর্নীতি টেট সম্পর্কিত। ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়া সংক্রান্ত নয়। সেই দাবি উড়িয়ে দিয়ে তার উত্তরে বিচারপতি তপব্রত চক্রবর্তী বলেন, দু’টোয় সম্পর্কিত।
মামলাকারীর আইনজীবীর দাবি (Calcutta High Court)
মামলাকারীর আইনজীবী বলেন, যা শূন্যপদ ছিল তাঁর চেয়ে বেশি নিয়োগ হয়েছে (Calcutta High Court)। কিন্তু আমরা নিয়োগ খারিজ করার পক্ষে নই। তৎকালীন পর্ষদ সভাপতি গ্রেফতার হয়েছিলেন। ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়াতে দুর্নীতির জন্যই। আইন ছাড়াই ন্যায়বিচারের প্রশ্ন থাকছে একক বেঞ্চের নির্দেশে। সকলের ক্ষেত্রে দুর্নীতি হয়েছিল এটা কি করে বলা যায়!
আরও পড়ুন : Kasba Case: কসবা গণধর্ষণকাণ্ডে জনস্বার্থ মামলা, রাজ্যের কাছে কেস ডায়েরি-রিপোর্ট তলব হাইকোর্টের
‘দুর্নীতি দেখলে পদক্ষেপ’
বিচারপতি চক্রবর্তী তার উত্তরে কড়া ভাষায় বলেন, ‘কে সুবিধা পেয়েছে, কে পায়নি সেটা দেখব না। দুর্নীতি দেখলে পদক্ষেপ করব।’ তখন আইনজীবী বলেন, আবেদনকারীদের মৌখিক বক্তব্যের ভিত্তিতেই মডিফিকেশন করা হয়েছিল। মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ৭ জুলাই।