ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: নয়ডার সেক্টর ১৫ এলাকায় স্ত্রীর বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক (Extra Marital Relation) রয়েছে, এমন সন্দেহে স্ত্রীকে হাতুড়ি মেরে খুন করলেন এক ব্যক্তি। গতকাল শুক্রবার দু’জনের মধ্যে তুমুল অশান্তি হয়। অভিযোগ, ঝগড়ার সময়ই স্ত্রীর মাথা হাতুড়ি দিয়ে মেরে থেঁতলে দেন অভিযুক্ত। তখনই মৃত্যু হয় মহিলার। ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আঘাত করে মাথা থেঁতলে দেন (Extra Marital Relation)
গতকাল দু’জনের মধ্যে তুমুল অশান্তি হয়। অভিযোগ, সেই সময় হাতুড়ি দিয়ে আসমার মাথায় মারেন নুরুল্লা (Extra Marital Relation)। তারপর পরপর আঘাত করে মাথা থেঁতলে দেন তিনি। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন আসমা। সেখানেই তাঁর মৃত্যু। সঙ্গে সঙ্গে গোটা ঘটনা পুলিশকে জানায় দম্পতির ছেলে। খবর সেখানে এসে আসমার দেহ উদ্ধার করে স্থানীয় পুলিশ। পাঠানো হয় ময়নাতদন্তে। গ্রেপ্তার করা হয় অভিযুক্ত নুরুল্লাকে।
বেসরকারি সংস্থায় চাকরি (Extra Marital Relation)
পুলিশ সূত্রে খবর, ৪২ বছরের এই মহিলার নাম আসমা খান। তিনি সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। আসমা দিল্লিতে থাকতেন। সেখানকার জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি পান। নয়ডার এক বেসরকারি সংস্থায় তিনি চাকরি করতেন। নুরুল্লা বিহারের বাসিন্দা। বর্তমানে তাঁর চাকরি ছিল না। ২০০৫ সালে নুরুল্লার সঙ্গে বিয়ে হয় আসমার। তাঁদের এক পুত্র এবং এক কন্যা রয়েছে। পুত্র ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া। কন্যা অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী।
আরও পড়ুন: Karnataka Incident: স্ত্রীর খুনি হয়ে জেল খাটছেন স্বামী, ৫ বছর পর আদালতে হাজির মৃত স্ত্রী স্বয়ং
সন্দেহের বশেই স্ত্রীকে খুন
দম্পতির পুত্র থানায় ফোন করে খুনের কথা জানান। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ ও ফরেন্সিক দল। মহিলার দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, সন্দেহের বশেই স্ত্রীকে খুন করেছেন স্বামী। আসমার এক আত্মীয়ের দাবি, গত কয়েক দিন ধরেই দম্পতির ঝামেলা চলছিল। সে কথা তাঁদের জানায় আসমার কন্যা।
ঝগড়া লেগেই থাকত
গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। প্রতিবেশী ও আত্মীয়দের সঙ্গে কথা বলে সবটা জানার চেষ্টা করছেন তাঁরা। পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে, স্ত্রীকে দীর্ঘদিন ধরেই সন্দেহ করতেন স্বামী। সেই সন্দেহের বশেই শুক্রবার স্ত্রীর মাথায় হাতুড়ি মেরে খুন করেন স্বামী। নিহতের দেওর বিষয়টি নিয়ে জানান, আজ সকালে ফোনে পুরোটা জানতে পারেন তাঁরা। ওদের মধ্যে ঝগড়া লেগেই থাকত। কিন্তু তাঁরা কল্পনাও করেননি, যে এমন একটা চরম পদক্ষেপ নিতে পারে তাঁরই ভাই।