Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: বুধবার সকালে ফের (Gambhira Bridge Collapses) ভয়াবহ সেতু দুর্ঘটনায় কেঁপে উঠল গুজরাত। ভাদোদরার কাছেই মহীসাগর নদীর উপর গম্ভীরা সেতুর একাংশ হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। ওই সময় সেতুর উপর দিয়ে চলছিল একাধিক গাড়ি। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, আচমকা সেতুর মাঝের একটি অংশ নদীতে ভেঙে পড়ে এবং সেই সঙ্গে একটি ট্রাক, একটি ভ্যান ও দু’টি গাড়ি নিচে পড়ে যায়।
আট জনের মৃত্যু (Gambhira Bridge Collapses)
দুর্ঘটনার খবর ছড়াতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় উদ্ধারকারী দল ও প্রশাসনের (Gambhira Bridge Collapses) আধিকারিকরা। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত আট জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হয়েছে। আহত হয়েছেন অন্তত দশজন। তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার (Gambhira Bridge Collapses)
ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার সকাল সাড়ে সাতটা (Gambhira Bridge Collapses) নাগাদ। ভাদোদরা ও সৌরাষ্ট্র অঞ্চলের মাঝামাঝি পাডরা-মুজপুর এলাকায় মহীসাগর নদীর উপর অবস্থিত গম্ভীরা সেতুটি ছিল গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথ। সরকারি সূত্রে খবর, ভেঙে পড়ার ঠিক আগেও সেতুটির উপর দিয়ে গাড়ি চলছিল। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় মানুষ এবং উদ্ধারকারী দল একসঙ্গে উদ্ধারকাজে ঝাঁপিয়ে পড়ে। আনন্দ কেন্দ্রের সাংসদ মিতেশ পটেল জানান, এখনও পর্যন্ত বেশ কিছু দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া আহতদের মধ্যে চার জনের অবস্থা গুরুতর। বডোদরা ও আনন্দ জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকেরা যৌথভাবে উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
এই ঘটনার পর স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে গুজরাতে সেতুর রক্ষণাবেক্ষণ এবং নির্মাণ সংস্থাগুলির ভূমিকা নিয়ে। কারণ, এই ঘটনা যেন আবার স্মরণ করিয়ে দিল তিন বছর আগের মর্মান্তিক মোরবি সেতু দুর্ঘটনার কথা। ২০২২ সালের অক্টোবরে মোরবীতে একটি ঝুলন্ত সেতু ভেঙে পড়েছিল, যেখানে প্রাণ হারান ১৩৫ জন। ওই সেতুটি দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকার পর সংস্কার করে খুলে দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু নির্মাণের গাফিলতি সামনে এসেছিল দুর্ঘটনার পরই।
আরও পড়ুন: Weather Updates: টানা বৃষ্টির সতর্কতা রাজ্যে, দুর্যোগে বিপর্যস্ত দক্ষিণবঙ্গ!
বুধবারের সেতু ভেঙে পড়ার ঘটনার পর থেকে এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি না এলেও, তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, আপাতত উদ্ধারকাজই প্রধান অগ্রাধিকার। একটি প্রশ্ন বারবার ঘুরেফিরে আসছে সেতু নির্মাণ এবং রক্ষণাবেক্ষণে কি যথাযথ নজর দেওয়া হচ্ছে? নাকি দুর্ঘটনা ঘটার পরই শুধুমাত্র নড়েচড়ে বসছে কর্তৃপক্ষ? সেতু ভেঙে পড়ার এই ধারাবাহিকতা থামবে কবে, সেই উত্তর এখনও অধরা।