Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: মানুষের মন বরাবরই অদৃশ্য শক্তি (Ghost), ভূতপ্রেত আর নেগেটিভ এনার্জি নিয়ে কৌতূহলী। কারও বিশ্বাস, এগুলো নিছক কল্পনা; আবার কারও মতে, চোখে দেখা না গেলেও, এর প্রভাব টের পাওয়া যায় জীবনে নানা বাধা-বিপত্তি, অশান্তি বা অস্বস্তির মধ্যে দিয়ে। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া “ওয়াটার টেস্ট ট্রেন্ড” এই কৌতূহলকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। একেবারে সহজ এই পরীক্ষার দাবি—মাত্র এক গ্লাস জল দিয়েই বোঝা যাবে ঘরে নেগেটিভ এনার্জি বা অশরীরী আত্মার উপস্থিতি আছে কিনা।
কীভাবে হয় এই পরীক্ষা? (Ghost)
খবর সূত্রে জানা যায়—
- প্রথমে একটি একেবারে পরিষ্কার কাচের গ্লাস নিতে হবে।
- গ্লাসটি পুরোপুরি ভরবেন না, অর্ধেক পর্যন্ত জল দেবেন।
- তারপর তাতে এক চিমটে নুন ফেলতে হবে। তবে খেয়াল রাখবেন, নুন চামচ দিয়ে গুলে দেওয়া যাবে না। যেভাবে ফেলা হবে, সেভাবেই পড়ে থাকবে।
- এই নুন-জলের গ্লাসটি রাখতে হবে ঘরের একেবারে নির্জন কোণে, যেখানে লোকজন যাতায়াত করবে না।
- টানা সাতদিন সেই গ্লাসটি স্পর্শ করা যাবে না, ঘনঘন দেখতেও যাওয়া যাবে না।
সাতদিন শেষে গ্লাসের জল খুঁটিয়ে পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
কী হতে পারে ফলাফল? (Ghost)
- যদি জলের রং অপরিবর্তিত থাকে, অর্থাৎ একেবারে স্বচ্ছ থাকে, তবে মনে করা হয়—ঘরে কোনও নেগেটিভ এনার্জি বা অশরীরী আত্মার প্রভাব নেই। পরিবেশ শান্ত ও স্বাভাবিক।
- যদি জল ঘোলাটে হয়ে যায়, বুদবুদ দেখা দেয়, বা অদ্ভুত কোনও পরিবর্তন ঘটে, তবে বিশ্বাস করা হয়—ঘরে নেগেটিভ এনার্জির প্রভাব রয়েছে। এর ফলে বাসিন্দারা নানা বাধা-বিপত্তি, অশান্তি কিংবা কাজকর্মে বিঘ্নের সম্মুখীন হতে পারেন।
কেন জল দিয়েই পরীক্ষা? (Ghost)
বিশ্বাসীদের মতে, জল খুব সংবেদনশীল এক উপাদান। এটি আশেপাশের পরিবেশের ভাইব্রেশন বা কম্পন শোষণ করতে সক্ষম। ইতিবাচক শক্তি থাকলে জল অপরিবর্তিত থাকে, কিন্তু নেতিবাচক প্রভাব থাকলে তার গঠন ও রঙে পরিবর্তন ঘটে। সেই কারণেই এ ধরনের পরীক্ষায় জল ব্যবহৃত হয়।
আরও পড়ুন: Health tips: বিড়াল শুধু আদরের নয়, স্বাস্থ্য রক্ষারও সঙ্গী
সমালোচনা ও কটাক্ষ (Ghost)
তবে এই পরীক্ষাকে সবাই বিশ্বাস করছেন না। অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় মজা করে লিখেছেন—
- “ঘরের নির্জন কোণে রাখা জলের রঙ যদি সাতদিন পর বদলে যায়, তবে বুঝবেন, আপনার ঘর ধুলো আর জীবাণুতে ভর্তি। ভূত খুঁজবেন না, বরং ঘর পরিষ্কার করুন।”
- আরেকজনের মন্তব্য, “এই সব ছেলেখেলা বন্ধ করে কর্মফলে বিশ্বাস করুন। ঈশ্বরের ওপর ভরসা রাখুন, তিনিই সর্বশক্তিমান।”
অন্যদিকে অনেক বিজ্ঞানমনস্ক মানুষ মনে করছেন, জলের রঙ পরিবর্তনের পিছনে ভূত নয়, বরং পরিবেশের ধুলো, বাতাসে থাকা অণুজীব বা রাসায়নিক পরিবর্তনই আসল কারণ।