Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (GST) স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে উঠে এসেছে এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা-জিএসটি কাঠামোয় আসতে চলেছে আমূল সংস্কার। যদিও এখনই তা চালু হচ্ছে না, তবে দীপাবলির আগেই নতুন নিয়ম কার্যকর হতে পারে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত জিএসটি ব্যবস্থাকে আরও সরল করার দিকে বড় পদক্ষেপ বলেই মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা।
চারটি স্ল্যাব কম (GST)
চলতি মাসের ২০ ও ২১ অগস্ট দিল্লিতে আয়োজিত একটি উচ্চপর্যায়ের (GST) বৈঠকে ১২ শতাংশ ও ২৮ শতাংশ জিএসটি স্ল্যাব তুলে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়। জানা গিয়েছে, সেখানে ইতিবাচক সাড়া মিলেছে এবং সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে যে ভবিষ্যতে কেবল ৫ শতাংশ ও ১৮ শতাংশ হারে কর নেওয়া হবে। অর্থাৎ, চারটি স্ল্যাব কমে গিয়ে মাত্র দুটি হারে কর আদায়ের প্রক্রিয়া গৃহীত হতে পারে।
সাধারণ মানুষের পকেটেও কিছুটা স্বস্তি (GST)
এই প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হতে পারে সাধারণ (GST) মানুষ, বিশেষ করে জামাকাপড় ও খাদ্যদ্রব্যের ক্ষেত্রে। বর্তমান নিয়মে, ১০০০ টাকার বেশি দামের জামাকাপড়ে ১২ শতাংশ হারে জিএসটি ধার্য হয়। এই নতুন কাঠামো কার্যকর হলে সেই হার কমে গিয়ে ৫ শতাংশে নেমে আসতে পারে। যার ফলে ২২৪০ টাকার একটি জামা বা প্যান্টের দাম সরাসরি প্রায় ১৪০ টাকা কমে গিয়ে দাঁড়াতে পারে ২১০০ টাকার কাছাকাছি। ফলে, সাধারণ মানুষের পকেটেও কিছুটা স্বস্তি আসবে।
দুর্গাপুজোর আগে এই পরিবর্তন কার্যকর হবে?
তবে এই আশার মাঝেই রয়েছে কিছুটা হতাশার ছায়া। কারণ, যদিও সরকারের পক্ষ থেকে দুর্গাপুজোর আগে এই পরিবর্তন কার্যকর করার আভাস দেওয়া হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী দীপাবলির আগে তা কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। অর্থাৎ, অক্টোবর-নভেম্বরের মধ্যে এই নতুন জিএসটি কাঠামো চালু হতে পারে। ফলে, এবছরের পুজোর বাজারে জামাকাপড় বা খাবারের দামে উল্লেখযোগ্য কোনও পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম বলেই মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: Old Clothes Hack: পুরোনো কাপড় দিয়ে ঘর মুছছেন? ডেকে আনছেন বিপদ!
এর আগে ২ সেপ্টেম্বর জিএসটি আধিকারিকদের সঙ্গে প্রাক-বৈঠক এবং ৩ ও ৪ সেপ্টেম্বর অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনের নেতৃত্বে জিএসটি কাউন্সিলের ৫৬তম বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সেই বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে এই কাঠামো বদলের বিষয়ে। সব মিলিয়ে, কর কাঠামো সহজীকরণের এই পদক্ষেপ ভবিষ্যতে দেশের অর্থনীতিকে কিছুটা চাঙ্গা করতে পারবে বলেই আশাবাদী কেন্দ্র। তবে আপাতত পুজোর বাজারে কেনাকাটার সময়ে ক্রেতাদের দাম কমার স্বস্তি পাওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই ধরে নেওয়া যায়।