Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণ পুষ্টির অভাব দেখা দিলে হতে পারে জটিল রোগ। এই কয়েকটি উপসর্গ দেখার সাথে সাথেই সতর্ক হতে হবে (Health Tips)।
প্রোটিনের কার্যকারিতা ও সতর্কতা (Health Tips)
শরীরের প্রধান পুষ্টি উপাদান হলো প্রোটিন। ওজন নিয়ন্ত্রণ থেকে শরীরের সার্বিক সুস্থতার জন্য প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পেশি শক্তিশালী করার কাজেও প্রোটিনের জুড়ি মেলা ভার (Health Tips)। হিসেবে বলছে একজন সুস্থ স্বাভাবিক প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের রোজ ৫০-৬০ গ্রাম প্রোটিন খাওয়া উচিত। অন্যদিকে মহিলাদের খেতে হবে ৭০-৮০ গ্রাম। তবে প্রোটিন কতটা প্রয়োজন সেটা নির্ভর করে সেই ব্যক্তির ওজন, উচ্চতা, শারীরিক পরিস্থিতি ও বয়সের উপর।তবে পর্যাপ্ত প্রোটিনের অভাবে শরীরে হতে পারে নানা জটিল রোগ। প্রোটিনের ঘাটতির ফলে শরীরে আগেই কিছু লক্ষণ দেখা যায়। যেগুলো বুঝে সতর্ক হওয়া দরকার।
মেজাজ পরিবর্তন
শুধুমাত্র পেশি তৈরির কাজেই প্রোটিন লাগে তা না, বরং মস্তিষ্ককে সুস্থ রাখতেও প্রোটিন জরুরি। এতে উপস্থিত অ্যামিনো অ্যাসিড মস্তিষ্কের রাসায়নিক যেমন ডোপামিন, সেরোটোনিন) তৈরিতে সাহায্য করে। যদি এগুলির ঘাটতি থাকে, তাহলে মেজাজ পরিবর্তন, উদ্বেগ বা মানসিক চাপ বেড়ে যেতে পারে (Health Tips)।
ফোলাভাব
প্রোটিনের অভাব দেখা দিলে শরীরের নানা জায়গায় ফোলাভাব দেখা যায়। যেমন হাত, পা বা তলপেটে ফোলাভাব দেখা দিতে পারে। প্রোটিন রক্তে তরলের ভারসাম্য বজায় রাখে এবং এর ঘাটতি হলে ফোলাভাব দেখা যায় (Health Tips)।

আরও পড়ুন: World Cup: BCCI-এর জোড়া ঘোষণা, মেয়েদের ODI দলে জায়গা হলো না তারকা ব্যাটারের
ক্লান্তি
পর্যাপ্ত ঘুমের পরেও শরীরে ক্লান্তি দেখা যেতে পারে যদি শরীরে প্রোটিনের অভাব হয়। শরীরে শক্তি সরবরাহকারী হরমোন ও এনজাইম তৈরিতে প্রোটিন অপরিহার্য। এর অভাবের ফলে দুর্বলতা দেখা যেতে পারে (Health Tips)।
চুল, নখ, ত্বকের সমস্যা
প্রোটিনের মধ্যে থাকা কেরাটিন এবং কোলোজেম চুল, ত্বক, ও নখের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শরীরে যখন প্রোটিনের অভাব হয় তখন এগুলোর সমস্যা দেখা যেতে পারে। এতে উপস্থিত অ্যামিনো অ্যাসিড মস্তিষ্কের রাসায়নিক যেমন ডোপামিন, সেরোটোনিন) তৈরিতে সাহায্য করে। যদি এগুলির ঘাটতি থাকে, তাহলে মেজাজ পরিবর্তন, উদ্বেগ বা মানসিক চাপ বেড়ে যেতে পারে (Health Tips)।
বেশিরভাগ সময়ে অনেকেই এই সব প্রাথমিক লক্ষণগুলোকে উপেক্ষা করে যান। যা সময়মতো না বোঝার ফলে গুরুতর রোগ হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। তাই খাদ্যতালিকায় প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার রাখতে ভুলবেন না। দুধ, ডাল, ডিম, মাছ, সয়াবিন, পনির এবং শুকনো ফল প্রোটিনের ভাল উৎস। এই সম্পূর্ণ বিষয়টাই সতর্ক করার জন্য। যদি শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি মনে হয় তবে সেটা অবহেলা না করে সাথে সাথে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া প্রয়োজন (Health Tips)।