Last Updated on [modified_date_only] by Sumana Bera
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: শীতের মরশুম শুরু হতেই বরফে থাকল জম্মু-কাশ্মীরের (Kashmir) বহু এলাকা। শ্বেতশুভ্র বরফে ঢেকেছে গুলমার্গ। চারধারে তুষারঢাকা মন ছুঁয়ে যাওয়া প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে সেজে উঠেছে এই পাহাড়ি অঞ্চল। অধিকাংশ জায়গাতেই পারদ হিমাঙ্কের নীচে (Winter)। তুষারপাতের কারণে পর্যটকরা খুশি হলেও সাধারণ জনজীবন বিপর্যস্ত। বন্ধ একাধিক রোড।
কাশ্মীরের সঙ্গে বরফ— এই শব্দ দুটি যেন ওতপ্রোত ভাবে জড়িত। কাশ্মীরের (Kashmir) কথা উঠলেই তুষারঢাকা পাহাড়, গাছপালা, রাস্তাঘাটের ছবি চোখের সামনে ভেসে ওঠে। সেই শোভা থেকে পর্যটকদের হতাশ করেনি ভূস্বর্গ। নভেম্বরের শেষে শ্বেতশুভ্র বরফে ঢেকে গিয়েছ পাহাড়। গাছপালা থেকে শুরু করে রাস্তাঘাটও৷ বরফ পড়ার কারণে আনন্দে মেতে উঠেছেন স্থানীয়রাও। তুষারপাতের জেরে পুরু বরফের চাদরে ঢাকা পড়েছে গুলমার্গ এবং সোনমার্গ। ইতিমধ্যেই এই দুই পর্যটনস্থলে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজির হয়েছেন বহু পর্যটক।
আরও পড়ুন: Pushpa 2: পুষ্পার ‘লাল সোনা’র সাম্রাজ্য! বাস্তবে কোথায় রয়েছে এই লাল চন্দনের জঙ্গল?

গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টির দাপট কাটতেই কনকনে শীতে কাঁপছে সমগ্র কাশ্মীর (Kashmir) উপত্যকা। আকাশ পরিষ্কার হতেই নামছে তাপমাত্রার পারদ। শ্রীনগর, গুলমার্গ-সহ কাশ্মীরের নানা স্থানেই হিমাঙ্কের নীচে নেমে গিয়েছে সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পারদ। তুলনামূলক ঠান্ডা জম্মুতেও। আর লেহ ও দ্রাস শীতে রীতিমতো কাঁপছে। আপাতত বৃষ্টি ও তুষারপাতের কোনও সম্ভাবনা নেই জম্মু ও কাশ্মীরে (Kashmir)। আবহাওয়া থাকবে মূলত শুষ্ক। জম্মু ও কাশ্মীরের আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, শনিবার পর্যন্ত মূলত শুষ্ক থাকবে জম্মু ও কাশ্মীরের আকাশ। ৮ ডিসেম্বর অর্থাৎ রবিবার সন্ধ্যা থেকে হালকা তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত হালকা থেকে মাঝারি তুষারপাতের সম্ভাবনা।
আরও পড়ুন: Money in Rajya Sabha: রাজ্যসভায় সিঙ্ঘভির আসনে টাকার বান্ডিল! তদন্তের নির্দেশ ধনখড়ের
মরশুমের শুরুতেই তুষারপাত দেখে পর্যটক থেকে নেটিজেনদের বেশ মন মজেছে। আবার শীতের চাদরে মুড়ে প্রকৃতির কোলে ঘুরেও বেড়াচ্ছেন কেউ কেউ। এই মনোরম দৃশ্য উপভোগ করতেই তো দেশ-বিদেশ থেকে পর্যটকরা ভিড় জমান। আগামী কয়েক দিন কাশ্মীরের বেশ কিছু অংশ তুষারপাতেরও পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। তুষারপাতের খবর ছড়িয়ে পড়তেই আশাবাদী পর্যটন ব্যবসায়ীরা। আসন্ন ছুটির মরশুমে পর্যটকরা তুষারপাতের টানে পাহাড়মুখী হবেন বলে আশাবাদী তারা।