Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: আসন্ন শনিবার গোটা দেশে পালিত হবে ভগবান (Janmastami on Digha Jagannath Temple) শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথি জন্মাষ্টমী। এবারে সেই পবিত্র দিনটিকে আরও স্মরণীয় করে তুলতে দীঘার জগন্নাথ মন্দিরে প্রথমবারের মতো বড় মাপের জন্মাষ্টমী উদযাপনের আয়োজন করা হয়েছে। ভক্তদের জন্য থাকছে ভক্তিমূলক অনুষ্ঠান, কীর্তন, আলোকসজ্জা এবং বিশেষ ‘কলস অভিষেক’-এর ব্যবস্থাও।
ভোর ৬টা থেকে মন্দিরের দরজা খুলে দেওয়া হবে (Janmastami on Digha Jagannath Temple)
মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শনিবার ভোর ৬টা থেকে মন্দিরের দরজা খুলে দেওয়া হবে দর্শনার্থীদের জন্য (Janmastami on Digha Jagannath Temple)। সাধারণত রাত সাড়ে ৮টার মধ্যে মন্দির বন্ধ হয়ে যায়, তবে জন্মাষ্টমীর দিন এই সময়সীমা বাড়িয়ে মধ্যরাত ১২টা ৩০ পর্যন্ত খোলা থাকবে মন্দির। এতে করে রাত ১২টার শ্রীকৃষ্ণ জন্মমুহূর্তে পূজায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন ভক্তরা।
সারাদিন ধরে চলবে অনুষ্ঠান (Janmastami on Digha Jagannath Temple)
সকাল শুরু হবে ‘মঙ্গলারতি’ দিয়ে (Janmastami on Digha Jagannath Temple)। এরপর সারা দিন ধরে চলবে নাম সংকীর্তন। দুপুরে ভক্তদের জন্য প্রসাদ বিতরণের ব্যবস্থা থাকছে। সন্ধ্যা হতেই জগন্নাথধাম রঙিন আলোর সাজে ঝলমল করে উঠবে, তৈরি হবে এক আলৌকিক পরিবেশ। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অংশ হল, জন্মাষ্টমী উপলক্ষে মন্দির কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো আয়োজন করা হয়েছে ‘কলস অভিষেক’। শ্রীকৃষ্ণের জন্য ব্যবহৃত পবিত্র স্নানের জল রাখা হবে কলসে। ভক্তরা চাইলে সেই জল কলসসহ গ্রহণ করতে পারবেন। আগ্রহীদের অবশ্যই আগেভাগে বুকিং করতে হবে ৯৩৩৩০১২৩৪৫ নম্বরে ফোন করে।
দীঘায় প্রথমবার পালিত হবে জন্মাষ্টমী
মন্দির ট্রাস্টি বোর্ডের অন্যতম সদস্য এবং কলকাতা ইসকনের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাধারমণ দাস জানিয়েছেন, “প্রথমবার দীঘার জগন্নাথ মন্দিরে জন্মাষ্টমী পালিত হবে। এটি আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। আমরা চাই, সকল ভক্ত এখানে এসে ভগবানের কৃপা লাভ করুন।”

আরও পড়ুন: Gujarat: আসল-নকলের তফাৎ শুধুই কি লোক ঠকানো ব্যবসায়!
এদিকে, জন্মাষ্টমী উপলক্ষে পরিবেশ রক্ষার বার্তা দিতেও উদ্যোগী হয়েছে প্রশাসন। দীঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের উদ্যোগে শনিবার সকালে দীঘার নেচার পার্কে একটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিরও আয়োজন করা হয়েছে। কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার জেলাশাসক পূর্ণেন্দু মাজী।