Last Updated on [modified_date_only] by Debu Das
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনৈতিক ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা। প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলের পরে এবার তাঁর স্ত্রী, প্রাক্তন ফার্স্ট লেডি কিম কোয়েনও গ্রেফতার হলেন(Kim Keon Hee Arrest)। শেয়ার কারচুপি ও ঘুষ নেওয়া-সহ একাধিক দুর্নীতির অভিযোগে মঙ্গলবার তাঁকে সিওলের আদালতে হাজির করানো হয়।
গ্রেফতারের কারণ ও অভিযোগ (Kim Keon Hee Arrest)
দক্ষিণ কোরিয়ার বিএমডাব্লিউ গাড়ি বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ডয়েশ মোটর্স-এর শেয়ারে কারচুপি করে কিম প্রায় ৮০ কোটি উন (প্রায় ৫.৭৭ লক্ষ মার্কিন ডলার) আয় করেছেন বলে অভিযোগ(Kim Keon Hee Arrest)। এই কারচুপির ঘটনা ঘটেছে স্বামী ইউন প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগেই। এছাড়া, ব্যবসায়িক সুবিধা দেওয়ার বিনিময়ে তিনি নামী ব্র্যান্ড শ্যানেল-এর দুটি ব্যাগ এবং হিরের হার ঘুষ হিসেবে নিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
আদালতের সিদ্ধান্ত (Kim Keon Hee Arrest)
প্রায় চার ঘণ্টার শুনানিতে কিম নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন। তবে আদালত মনে করে, তিনি বাইরে থাকলে প্রমাণ নষ্ট করার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই তাঁকে আটক রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন : India Russia Relation : ডোভালের পর রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন জয়শঙ্কর! লক্ষ্য় ভারত রুশ সম্পর্ক মজবুত করা
স্বামী ইউন সুক-ইওলের আগের গ্রেফতার (Kim Keon Hee Arrest)
গত জানুয়ারিতে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ইউন (Yoon Suk Yeo) গ্রেফতার হন। অভিযোগ, তিনি সাময়িকভাবে সামরিক আইন জারি করে রাজনৈতিক বিরোধীদের কার্যকলাপ বন্ধ করতে চেয়েছিলেন(Kim Keon Hee Arrest)। ২০২৪ সালের ৩ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশে ভাষণে ইউন জানান, উত্তর কোরিয়ার একনায়ক কিম জং উনের সহায়তায় বিরোধীরা ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করছে। সেই কারণ দেখিয়ে তিনি সামরিক আইন ঘোষণা করেন। বিরোধী দলগুলির দাবি, এর মাধ্যমে দেশে রাজনৈতিক স্বাধীনতা হরণ করার পরিকল্পনা ছিল। পরে ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে ভোটাভুটিতে তাঁর বরখাস্ত প্রস্তাব পাস হয় এবং ডিসেম্বরের মধ্যেই তিনি গ্রেফতার হন।

ইতিহাসে প্রথম ঘটনা (Kim Keon Hee Arrest)
দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রাক্তন প্রেসিডেন্টদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ নতুন নয়। অনেকেই জেল খেটেছেন। তবে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট এবং ফার্স্ট লেডি—উভয়েরই জেলবন্দি হওয়ার ঘটনা এবারই প্রথম, যা দেশজুড়ে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।