Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: অনেকেই (Liver Disease) মনে করেন, লিভারের রোগ একবার ধরা পড়লে তা আর সারে না। কিন্তু বাস্তবটা ঠিক উল্টো। সঠিক সময়ে রোগ চিহ্নিত হলে এবং নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন করলে লিভার সুস্থ রাখা সম্ভব। দীর্ঘদিন ধরে জন্ডিস, অতিরিক্ত অ্যালকোহল সেবন কিংবা অনিয়ন্ত্রিত খাওয়াদাওয়ার কারণে লিভারে চর্বি জমে গিয়ে ‘ফ্যাটি লিভার’ নামের রোগ তৈরি হয়, যা পরে সিরোসিস বা আরও জটিল সমস্যায় রূপ নিতে পারে। তাই আগেভাগে সাবধান হওয়াই শ্রেয়।
অতিরিক্ত মেদ জমতে থাকে লিভারে (Liver Disease)
লিভার শরীরে মেদ উৎপাদনের কাজে গুরুত্বপূর্ণ (Liver Disease) ভূমিকা পালন করে। তবে মেদ উৎপাদন ও খরচের মধ্যে ভারসাম্য না থাকলে সেই অতিরিক্ত মেদ জমতে থাকে লিভারে। এই অবস্থাকে চিকিৎসকরা বলেন ‘ফ্যাটি লিভার’। শুধু ওষুধে লিভারের চর্বি কমানো যায় না সঙ্গে দরকার সঠিক পানীয় গ্রহণও।
লিভারের পক্ষে উপকারী পানীয়গুলির মধ্যে রয়েছে: (Liver Disease)
- বিটরুট ও বেরির স্মুদি: বিটরুটের বিট্যালেন্স এবং নানা বেরিতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান (Liver Disease) লিভারের প্রদাহ কমায়। বিট, গাজর, বিভিন্ন বেরি, লেবুর রস, পুদিনা ও জল দিয়ে তৈরি এই স্মুদি লিভারের পক্ষে উপকারী।
- হলুদ ও আনারসের স্মুদি: হলুদের কারকিউমিন এবং আনারসের ব্রোমেলিন প্রদাহনাশক। নারকেলের জল, আদা, কাঁচা হলুদ ও লেবুর রস দিয়ে তৈরি এই পানীয় প্রতিদিন খেলে লিভারের প্রদাহ কমে।
- আপেল ও আদার স্মুদি: আপেল, আদা, শসা, লেবুর রস ও জল দিয়ে তৈরি এই রেসিপি ফ্যাটি লিভার কমাতে কার্যকর। রোজ খালি পেটে খেলেই ফল মিলবে।
তবে কিছু পানীয় রয়েছে যা লিভারের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর:
- চিনিযুক্ত পানীয়: যেমন সফট ড্রিঙ্ক, সোডা বা এনার্জি ড্রিঙ্ক, যা ফ্যাটি লিভার তৈরি করে।
- অতিরিক্ত চা বা কফি: ক্যাফেইনের অতিরিক্ত গ্রহণেও লিভারে চাপ পড়ে।
- প্যাকেটজাত ফলের রস: এতে লুকনো চিনি ও প্রিজারভেটিভ থাকে, যা লিভারের ক্ষতি করতে পারে।
- ডায়েট ড্রিঙ্কস: চিনি না থাকলেও এতে থাকা অ্যাসপার্টাম বা কৃত্রিম মিষ্টি লিভারের পক্ষে ক্ষতিকর।
- মিষ্টি দই ও ক্রিম যুক্ত পানীয়: এতে অতিরিক্ত স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও ক্যালোরি থাকে, যা লিভারে চর্বি জমায়।
আরও পড়ুন: Himachal Pradesh Weather Update: টানা মেঘভাঙা বৃষ্টি ও হড়পা বানে বিপর্যস্ত হিমাচল!
লিভার সুস্থ রাখতে শুধু ওষুধ নয়, বরং সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও পানীয় নির্বাচন অত্যন্ত জরুরি। নিয়মিত স্বাস্থ্যকর পানীয় গ্রহণ এবং ক্ষতিকর পানীয় এড়িয়ে চললেই লিভারের অনেক সমস্যা সহজে প্রতিরোধ করা সম্ভব।