Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: ৭৯তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে (Mamata Banerjee) শুক্রবার সকালে কলকাতার রেড রোডে আয়োজিত হয়েছিল বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বিভিন্ন স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা এই অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। তবে সকালের গরম ও আর্দ্রতা এতটাই বেড়ে যায় যে, অনুষ্ঠান চলাকালীন হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়ে একাধিক পড়ুয়া।
প্রায় ৩৫ জন পড়ুয়া অসুস্থ (Mamata Banerjee)
প্রাথমিকভাবে জানা যায়, প্রায় ৩৫ জন পড়ুয়া শারীরিক অস্বস্তি বোধ করে (Mamata Banerjee) এবং তাদের মধ্যে অনেকেই মাথা ঘোরা ও বমির মতো উপসর্গে ভোগে। দ্রুততার সঙ্গে তাদের এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় চিকিৎসার জন্য। বিষয়টি জানার পরেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে ছুটে যান এসএসকেএমে। সঙ্গে ছিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মাও।
মুখ্যমন্ত্রী চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন (Mamata Banerjee)
হাসপাতালে পৌঁছে মুখ্যমন্ত্রী চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং পড়ুয়াদের শারীরিক অবস্থার বিস্তারিত খোঁজখবর নেন (Mamata Banerjee)। এরপর তিনি একে একে পড়ুয়াদের সঙ্গে দেখা করেন, তাদের সান্ত্বনা দেন এবং আদরে ভরিয়ে দেন। তিনি জানান, “ওদের বন্ধু অসুস্থ হয়ে পড়ায় বাকিরাও আতঙ্কে অস্বস্তিতে ভুগছিল। আমি ওদের সাহস দিয়েছি, ওদের সঙ্গে একটু গল্প করেছি, জল-মিষ্টিও খাইয়েছি। এখন সবাই অনেকটা ভালো আছে।”

বেশিরভাগ পড়ুয়ারই অবস্থা স্থিতিশীল
হাসপাতাল সূত্রে খবর, প্রাথমিক চিকিৎসার পর বেশিরভাগ পড়ুয়ারই অবস্থা স্থিতিশীল। একজন পড়ুয়ার সামান্য শারীরিক সমস্যা থাকলেও, তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক নয় বলে চিকিৎসকরা নিশ্চিত করেছেন। এই ঘটনার পর প্রশ্ন উঠেছে, এত গরমে দীর্ঘক্ষণ মাঠে দাঁড়িয়ে থাকা শিশুদের স্বাস্থ্য নিয়ে কেন আগে থেকে সতর্কতা নেওয়া হয়নি? বিশেষ করে, যখন আবহাওয়া দফতর আগেই জানিয়েছিল যে তাপমাত্রা অস্বাভাবিক বাড়বে, তখন প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির অভাব নিয়ে অনেকে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
আরও পড়ুন: Kishtwar Cloudburst: কিশ্তওয়াড়ে ভয়াবহ হড়পা বান, দু মিনিটেই সব শেষ!
তবে মুখ্যমন্ত্রীর তৎপরতায় এবং হাসপাতালের দ্রুত পরিষেবায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। পড়ুয়াদের পরিবার ও শিক্ষক-শিক্ষিকাদের তরফ থেকেও মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিকদের জানান, “ছোটরা আমাদের ভবিষ্যৎ। ওদের সুস্থতা সবার আগে। আমি নিশ্চিত করেছি, যাতে সবাই সুরক্ষিত থাকে।”