Last Updated on [modified_date_only] by Debu Das
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: উত্তর পাকিস্তানের বন্যা ও ধসকবলিত এলাকায় উদ্ধারকাজ চালাতে গিয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনার শিকার হলো পাক সেনার এমআই-১৭ হেলিকপ্টার(Pak Helicopter Crash)। খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের মোহমন্দ জেলার পান্ডিয়ালি এলাকার বাজাউরের কাছে রবিবার এই হেলিকপ্টারটি ভেঙে পড়ে। দুর্ঘটনায় হেলিকপ্টারে থাকা পাঁচজনের সবাই নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দু’জন ছিলেন পাইলট। প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বন্যা ও ধসের ভয়াল চিত্র (Pak Helicopter Crash)
বাজাউর অঞ্চলে মেঘভাঙা বৃষ্টির ফলে হঠাৎ হড়পা বান নেমে আসে(Pak Helicopter Crash)। প্রবল স্রোতে বহু ঘরবাড়ি ভেসে যায়, ভেঙে পড়ে সেতু ও রাস্তা। স্থানীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং অনেকে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। অনেক পরিবার আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে। সেনা, স্থানীয় প্রশাসন এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম চালাচ্ছে।
দুর্ঘটনার কারণ (Pak Helicopter Crash)
সেনা সূত্র জানিয়েছে, এমআই-১৭ হেলিকপ্টারটি ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে দুর্গম এলাকায় যাচ্ছিল(Pak Helicopter Crash)। কিন্তু খারাপ আবহাওয়া এবং প্রবল বৃষ্টির কারণে দৃষ্টি সীমা কমে যায়। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে হেলিকপ্টারটি পাহাড়ি এলাকায় বিধ্বস্ত হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টির চাপই দুর্ঘটনার মূল কারণ।

আরও পড়ুন : Trump Putin Meeting : ট্রাম্প পুতিন বৈঠক কেন ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ?
আবহাওয়া পরিস্থিতি আরও খারাপের আশঙ্কা (Pak Helicopter Crash)
পাকিস্তানের (Shehbaz Sharif) আবহাওয়া অধিদপ্তর সতর্কবার্তা দিয়ে জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিন খাইবার পাখতুনখোয়া ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হবে। এতে নতুন করে বন্যা ও ভূমিধসের ঝুঁকি রয়েছে। প্রশাসন ইতিমধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চল থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু করেছে।
মানবিক সংকট (Pak Helicopter Crash)
প্রাকৃতিক দুর্যোগে শুধু ঘরবাড়ি হারানো নয়, পানীয় জলের সংকট, খাদ্যের অভাব ও রোগের প্রাদুর্ভাবের আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে। ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নেওয়া মানুষের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থাগুলোকেও সহায়তার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন : Humayun Tomb : দিল্লিতে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা !হুমায়ুনের সমাধিক্ষেত্রের একাংশ ধসে মৃত্যু ৫ জনের
এই দুর্ঘটনা পাকিস্তানের জন্য এক দ্বৈত আঘাত—একদিকে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের মানবিক সংকট, অন্যদিকে উদ্ধারকর্মীদের প্রাণহানি। প্রশাসন জানিয়েছে, উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে, যদিও প্রতিকূল আবহাওয়া বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।সেনা সূত্র জানিয়েছে, এমআই-১৭ হেলিকপ্টারটি ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে দুর্গম এলাকায় যাচ্ছিল(Pak Helicopter Crash)। কিন্তু খারাপ আবহাওয়া এবং প্রবল বৃষ্টির কারণে দৃষ্টি সীমা কমে যায়। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে হেলিকপ্টারটি পাহাড়ি এলাকায় বিধ্বস্ত হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টির চাপই দুর্ঘটনার মূল কারণ।