Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: ৭৯তম স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লার প্রাচীন (PM on Independence Day) প্রাচীর থেকে জাতির উদ্দেশে ভাষণে দেশের ভবিষ্যতের রূপরেখা তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দ্বাদশবারের মতো স্বাধীনতা দিবসে ভাষণ দিয়ে তিনি অ-কংগ্রেসি প্রধানমন্ত্রীদের মধ্যে নতুন রেকর্ড গড়লেন। তবে শুধু পরিসংখ্যান নয়, মোদীর এবারের ভাষণে উঠে এল কর সংস্কার, প্রতিরক্ষা, জ্বালানি স্বনির্ভরতা এবং প্রতিবেশী দেশের প্রতি দৃঢ় বার্তা।
জিএসটি সংস্কার সংক্রান্ত ঘোষণা (PM on Independence Day)
সবচেয়ে বেশি নজর কাড়ল প্রধানমন্ত্রীর জিএসটি সংস্কার সংক্রান্ত ঘোষণা (PM on Independence Day)। তিনি জানালেন, চলতি বছরের দীপাবলিতে দেশের জনগণ পাবেন দ্বিগুণ উপহার-যার অন্যতম হল নতুন প্রজন্মের জিএসটি সংস্কার। এর ফলে কর কাঠামো আরও সরল হবে এবং দেশজুড়ে করের বোঝা হ্রাস পাবে। এই পরিবর্তনের মাধ্যমে উপকৃত হবেন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে ছোট, মাঝারি ও ক্ষুদ্র শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো (MSME)।
অপারেশন সিঁদুর (PM on Independence Day)
মোদির কথায়, “গত কয়েক বছরে কর ব্যবস্থায় আমূল সংস্কার হয়েছে (PM on Independence Day)। কিন্তু এবার সময় এসেছে ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে আরও আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও সহজতর এক কর ব্যবস্থা গড়ে তোলার। দীপাবলির আগেই সেই পরিবর্তন দেশবাসীর সামনে আসবে।” কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শুধু অর্থনীতিতেই থেমে থাকেননি। সাম্প্রতিক পহেলগাঁও হত্যাকাণ্ড এবং তার প্রতিক্রিয়ায় ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর প্রসঙ্গ টেনে পাকিস্তানকে কার্যত হুঁশিয়ারি দেন তিনি। বলেন, “আমাদের জওয়ানরা শত্রুদের এমন শিক্ষা দিয়েছে, যা আগে কখনও দেখা যায়নি। দেশের মাটিতে ধর্ম জিজ্ঞাসা করে মানুষ খুন, এটা বরদাস্ত করা যায় না। অপারেশন সিঁদুর সেই জাতীয় ক্ষোভের উত্তর।”

সিন্ধু জলচুক্তি
এই প্রেক্ষিতে সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত করার প্রসঙ্গও তোলেন মোদী। স্পষ্ট জানান, ভারতের নদীর জল এখন থেকে শুধুমাত্র ভারতের কৃষকদের জন্য। সাত দশকের পুরনো চুক্তিকে ‘একতরফা’ বলে অভিহিত করে তিনি বলেন, “আমাদের জলে অন্য দেশের খেতে সেচ হচ্ছে, অথচ আমাদের কৃষকরা জল পাচ্ছেন না, এটা মেনে নেওয়া যায় না।”
আরও পড়ুন: Narendra Modi: স্বাধীনতা দিবসের আবহে “ডবল দিওয়ালির” বার্তা প্রধানমন্ত্রীর!
পাশাপাশি, পরমাণু শক্তি বৃদ্ধি নিয়েও সরকারের বৃহৎ পরিকল্পনার ইঙ্গিত দেন তিনি। স্বাধীনতার ১০০ বছর পূর্তি অর্থাৎ ২০৪৭ সালের মধ্যে দেশের নিউক্লিয়ার পাওয়ার ক্যাপাসিটি দশগুণ বাড়ানোর লক্ষ্যে কাজ চলছে। ইতিমধ্যে ১০টি নতুন পরমাণু চুল্লি তৈরির কাজ শুরু হয়েছে।