Last Updated on [modified_date_only] by Anustup Roy Barman
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: উইম্বলডন ২০২৫ তৃতীয় দিনে বিশ্বের ৩ নম্বর কার্লোস আলকারাজ (Raducanu win Wimbledon Round 2) দুই সেটের ম্যাচে তরুণ ব্রিটিশ বাছাই খেলোয়াড়কে ৬-১, ৬-৪ গেমে পরাজিত করেছেন।
উইম্বলডনে ‘সেরা পারফরম্যান্স’-এর স্বাদ নিলেন রাডুকানু (Raducanu win Wimbledon Round 2)
ব্রিটেনের এক নম্বর টেনিস খেলোয়াড় এমা রাডুকানু (Raducanu win Wimbledon Round 2) স্বীকার করেছেন, বর্তমান বিশ্বের এক নম্বর আরিনা সাবালেঙ্কার বিরুদ্ধে খেলতে হলে তাঁকে “সৃজনশীল” হতে হবে। তবে তার আগে তিনি উপভোগ করতে চান উইম্বলডনে নিজের “সর্বোত্তম” একটি ম্যাচের স্বাদ। বুধবার দ্বিতীয় রাউন্ডে ২০২৩ সালের উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ন মার্কেতা ভোন্দ্রোসোভাকে স্ট্রেট সেটে হারিয়ে দেন রাডুকানু। মসৃণ ও নির্ভার পারফরম্যান্সে তিনি দেখিয়ে দিলেন কেন তাঁকে নিয়ে এখনও আশা করা যায়। এই জয়ের পুরস্কার হিসেবে তাঁকে আগামী শুক্রবার তৃতীয় রাউন্ডে মুখোমুখি হতে হবে সাবালেঙ্কার, যাঁকে এই মুহূর্তে মেয়েদের টেনিসে হারানো সবচেয়ে কঠিন।
“আমার সেরাগুলোর মধ্যে একটি ম্যাচ ছিল এটা” — রাডুকানু (Raducanu win Wimbledon Round 2)
২২ বছর বয়সী রাডুকানু (Raducanu win Wimbledon Round 2) বলেন, “আমি মনে করি এটি অনেকদিনের মধ্যে আমার খেলা সেরা ম্যাচগুলোর একটি। আমি খুব গর্বিত। একই সঙ্গে মনে হচ্ছে না যে আমি কিছু অস্বাভাবিক করেছি। যা করেছি, সেটা খুব ভালোভাবে করেছি। এটা আমাকে অনেক আত্মবিশ্বাস দিচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, “মার্কেতার মতো একজন দুর্দান্ত প্রতিপক্ষকে হারানো অবশ্যই আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। তবে আমি জানি, আরিনা বিশ্বের এক নম্বর খেলোয়াড় এবং গত কয়েক বছর ধরে মহিলাদের টেনিসে খুবই আধিপত্য বিস্তার করেছে। এটা বিশাল একটা চ্যালেঞ্জ হতে চলেছে।”
“শুধু শক্তিতে হারানো যাবে না, সৃজনশীল হতে হবে”
রাডুকানু বলেন, “তাঁকে আপনি ‘নাথিং বল’ দিতে পারবেন না। আমাকে আক্রমণাত্মক হতে হবে কিন্তু বেছে বেছে। আমি জানি আমি গিয়ে তাঁকে শারীরিক শক্তি দিয়ে হারাতে পারব না। তাই আমাকে কৌশল ও সৃজনশীলতা দিয়ে খেলতে হবে।” তিনি ‘দুর্ভাগ্যজনক ড্র’ প্রসঙ্গে বলেন, “আমি সেটা মনে করি না। আপনি যদি বড় টুর্নামেন্ট জিততে চান, তাহলে সেরা খেলোয়াড়দের সঙ্গেই খেলতে হবে। যত তাড়াতাড়ি হোক না কেন, আমি এই সুযোগের জন্য অপেক্ষা করছি।”
“এই জয়টা উপভোগ করব”
ম্যাচের পরে কোর্টে রাডুকানু বলেছিলেন, সাবালেঙ্কার বিরুদ্ধে তাঁর কোনো চাপ নেই। তবে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “আমি মনে করি না কোনও অ্যাথলিট মাঠে নামার সময় নিজের কাছ থেকে কিছুই আশা করে না।”
“আমার নিজস্ব কিছু প্রত্যাশা আছে, যা আমি নিজের খেলা থেকে চাই। কিন্তু ফলাফলের দিক থেকে বিশেষ কিছু আশা নেই। আজকের দিনে আমি শুধু এটা উপভোগ করতে চাই। কারণ আমি জানি, এই মুহূর্তগুলো কত ক্ষণস্থায়ী। এটা একটা বড় সম্মান এবং আমার দলের সঙ্গে শেষ কয়েক মাসে যে পরিশ্রম করেছি, তারই প্রমাণ।”