Last Updated on [modified_date_only] by Suparna Ghosh
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: মাধ্যমিকের নম্বরে কারচুপি! মাধ্যমিকের নম্বরে কারচুপির(Madhyamik Marks Tampering) অভিযোগে ফের হাইকোর্টের(Calcutta High Court) দ্বারস্থ এক পরীক্ষার্থী। হুগলির আরামবাগের আলিপুর সন্তোষ সাধারণ বিদ্যাপীঠের ছাত্রী দিশানী হাজরা অভিযোগ করেছেন, তার প্রাপ্ত নম্বর ইচ্ছাকৃতভাবে কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর জেরে ২০২৩ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষায় মাত্র দু’নম্বরের জন্য দশম স্থান হাতছাড়া হয়েছে বলে দাবি তার। এ নিয়ে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের আর্জি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি। আগামী ২৫ আগস্টের মধ্যে পর্ষদের থেকে আসল উত্তরপত্র তলব হাইকোর্টের বিচারপতি তপব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চের।
মাধ্যমিকের নম্বরে কারচুপির অভিযোগ(Madhyamik Marks Tampering)
হুগলির আরামবাগের আলিপুর সন্তোষ সাধারণ বিদ্যাপীঠের ছাত্রী দিশানী হাজরার অভিযোগ, ২০২৩ সালে ৭০০ নম্বরের পরীক্ষায় দিশানীর প্রাপ্ত নম্বর ছিল ৬৮১। সেই বছর দশম স্থানাধিকারীর নম্বর ছিল ৬৮৩। নিজের উত্তরপত্রের কপি হাতে পেয়েই দিশানীর দাবি, পরীক্ষক যেখানে সঠিক উত্তরের জন্য নম্বর দিয়েছিলেন, সেখানে পরবর্তী পর্যায়ে ওভাররাইট করে নম্বর কমানো (Madhyamik Marks Tampering) হয়েছে। এ নিয়ে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের আর্জি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি।
সিবিআই তদন্ত চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ ছাত্রী
মধ্যশিক্ষা পর্ষদের বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের আর্জি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন আরামবাগের আলিপুর সন্তোষ সাধারণ বিদ্যাপীঠের ছাত্রী দিশানী হাজরা। বিচারপতি তপব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানিতে দিশানীর আইনজীবী আশীষ কুমার চৌধুরীর বক্তব্য, “সঠিক উত্তর দিয়ে প্রাপ্য নম্বর থেকেও বঞ্চিত হয়েছে দিশানী। এর ফলে মেধাতালিকায় নাম ওঠার সুযোগ হারিয়েছে সে। একজন মেধাবী ছাত্রীর কাছে এর চেয়ে দুর্ভাগ্যজনক আর কী হতে পারে!” অন্যদিকে, মধ্যশিক্ষা পর্ষদের আইনজীবীর দাবি, বোর্ডের পক্ষে জানা সম্ভব নয় কিভাবে এমনটা ঘটেছে।
২৫ আগস্টের মধ্যে আসল উত্তরপত্র তলব আদালতের
আদালতের নির্দেশ, অভিযোগের ভিত্তিতে উত্তরপত্রের(Madhyamik Marks Tampering) সত্যতা যাচাই করা জরুরি। তাই আগামী ২৫ আগস্টের মধ্যে দিশানীর অরিজিনাল উত্তরপত্র আদালতে জমা দিতে হবে মধ্যশিক্ষা পর্ষদকে। হাইকোর্ট সূত্রের খবর,সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক পরীক্ষার্থী একই ধরনের অভিযোগ নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। অভিযোগ, সঠিক উত্তর দেওয়া সত্ত্বেও প্রাপ্য নম্বর কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে, ফলে মেধাতালিকার প্রথম দশের মধ্যে স্থান হারাচ্ছেন অনেকেই।
আরও পড়ুন: Partha Chatterjee: ফের পিছল পার্থর জামিন মামলার শুনানি, তদন্তকারী সংস্থার আবেদন মঞ্জুর বিচারপতির