Last Updated on [modified_date_only] by Debu Das
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald J. Trump) ভেনেজুয়েলার উপকূলে তিনটি এজিস শ্রেণির গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন (US sends Warships Venezuela)। মূলত মাদক পাচার রোধের লক্ষ্যে এই যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করা হয়েছে। একই সঙ্গে মার্কিন মিডিয়ায় খবর ছড়িয়েছে যে প্রায় চার হাজার মেরিন সেনাও ওই অঞ্চলে পাঠানো হতে পারে। এর ফলে ভেনেজুয়েলার চারপাশে সামরিক উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে।
মাদক পাচার রোধে পদক্ষেপ (US sends Warships Venezuela)
ওয়াশিংটন দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে যে লাতিন আমেরিকার বিভিন্ন মাদক কার্টেল যুক্তরাষ্ট্রে কোকেন পাচারে যুক্ত (US sends Warships Venezuela)। ট্রাম্প প্রশাসন মনে করছে, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো স্বয়ং এই পাচারচক্রের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। সম্প্রতি তাঁর বিরুদ্ধে পুরস্কারের অর্থ দ্বিগুণ করে ৫ কোটি ডলার ঘোষণা করা হয়েছে। মার্কিন সরকারের দাবি, “কার্টেল দে লস সোলোস” বা “কার্টেল অব দ্য সানস” নামে পরিচিত এক কোকেন পাচারকারী চক্রের প্রধান হলেন মাদুরো।
হোয়াইট হাউসের অবস্থান (US sends Warships Venezuela)
হোয়াইট হাউস প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দেশের ভেতরে মাদক প্রবাহ রুখতে আমেরিকার সব শক্তি প্রয়োগে প্রস্তুত। তাঁর ভাষায়, “মাদুরো একজন বৈধ প্রেসিডেন্ট নন। তিনি এক নার্কো-টেরর কার্টেলের নেতা, যিনি যুক্তরাষ্ট্রে মাদক পাচারের অভিযোগে অভিযুক্ত।”

আরও পড়ুন : SC On Stray Dogs : পথ কুকুর মামলায় রায় সংশোধন আদালতের! টিকাদানের পর ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের
মাদুরোর পাল্টা ঘোষণা (US sends Warships Venezuela)
এদিকে মাদুরো যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপকে সরাসরি আগ্রাসন বলে অভিযোগ তুলেছেন। সোমবার তিনি ঘোষণা করেছেন, ভেনেজুয়েলায় প্রায় ৪৫ লক্ষ মিলিশিয়া সদস্য মোতায়েন করা হবে, যাতে দেশ আমেরিকার সম্ভাব্য সামরিক হুমকির মোকাবিলা করতে পারে। তাঁর দাবি, যুক্তরাষ্ট্র তাঁর সরকারকে উৎখাত করার ষড়যন্ত্র করছে এবং দেশের সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করছে।
আন্তর্জাতিক উদ্বেগ (US sends Warships Venezuela)
আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মার্কিন যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন ও সেনা পাঠানোর প্রস্তুতি যদি বাস্তবায়িত হয়, তবে তা শুধু মাদুরো সরকারের ওপর নয়, পুরো লাতিন আমেরিকার স্থিতিশীলতার ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে (US sends Warships Venezuela)। সামরিক পদক্ষেপের পাশাপাশি মানবিক সংকট তৈরি হওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে। একই সঙ্গে কূটনৈতিক সমাধানের পথ ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে।

সামনের পরিস্থিতি (US sends Warships Venezuela)
বর্তমানে পরিস্থিতি নজরদারির পর্যায়ে রয়েছে। ওয়াশিংটন ও কারাকাসের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় আন্তর্জাতিক মহলও গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। সামরিক সংঘাত শুরু হলে শুধু ভেনেজুয়েলাই নয়, পার্শ্ববর্তী দেশগুলিও প্রভাবিত হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে। মানবিক সঙ্কট এড়াতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দ্রুত উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন পর্যবেক্ষকরা।