Last Updated on [modified_date_only] by Debu Das
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল : ইউক্রেন যুদ্ধকে ঘিরে ভারতকে ফের কঠিন অবস্থানে ফেললেন মার্কিন প্রশাসনের উপদেষ্টারা(US Tariff On India)। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald J. Trump) ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা পিটার নাভারো সরাসরি অভিযোগ করেছেন, “ভারত রাশিয়ার যুদ্ধযন্ত্রকে সচল রাখতে সহায়তা করছে।” তাঁর দাবি, রাশিয়া থেকে ভারতের তেল আমদানি না থামলে শুল্ক কমানোর কোনো সুযোগ নেই।
২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক উঠবে না (US Tariff On India)
নাভারো স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, নয়াদিল্লি যদি রুশ তেল কেনা বন্ধ করে, তবে আমেরিকা সঙ্গে সঙ্গেই ভারতের উপর চাপানো ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক প্রত্যাহার করতে পারে(US Tariff On India)। তাঁর কথায়,
“ভারত রুশ তেল কেনার মাধ্যমে পরোক্ষে রাশিয়ার যুদ্ধযন্ত্র চালাতে সাহায্য করছে। তাই যদি সেই কেনাকাটা থেমে যায়, আগামীকালই শুল্ক ছাড় পাবে ভারত।”
এ বক্তব্যে স্পষ্ট যে ওয়াশিংটনের কাছে ভারতের শক্তি আমদানির সিদ্ধান্ত সরাসরি ভূ-রাজনৈতিক চাপের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এবার নিশানায় ভারতীয় আইটি পেশাজীবীরা(US Tariff On India)
শুল্ক যুদ্ধের জেরে দুই দেশের সম্পর্কে যখন টানাপোড়েন, তখনই সামনে এলো নতুন আরেকটি কড়া সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত(US Tariff On India)। মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লিউটনিক জানিয়েছেন, ট্রাম্প প্রশাসন এবার ভারতের জন্য সবচেয়ে লাভজনক এইচ-১বি ভিসা ও গ্রিন কার্ড প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা করছে।
তিনি বলেন,
“এইচ-১বি প্রোগ্রাম খুবই খারাপ। আমরা সেটিকে বদলানোর কাজ করছি। একজন গড় আমেরিকান বছরে প্রায় ৭৫ হাজার ডলার আয় করে, আর একজন গড় গ্রিন কার্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি আয় করে ৬৬ হাজার ডলার। এটা অন্যায্য।”

‘গোল্ড কার্ড’ আসছে (US Tariff On India)
লিউটনিকের দাবি অনুযায়ী, বর্তমান ভিসা ও গ্রিন কার্ড ব্যবস্থার সংস্কারের জায়গায় আসতে পারে নতুন এক ব্যবস্থা, যার নাম হবে “গোল্ড কার্ড”(US Tariff On India)। যদিও এর সুনির্দিষ্ট কাঠামো বা শর্তাবলী এখনো স্পষ্ট করা হয়নি, তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ পরিবর্তন হলে ভারতীয় আইটি পেশাজীবীদের জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে।

আরও পড়ুন : Maoist Attack : ছত্তীসগড়ের বস্তারে ফের মাওবাদী হামলাা! খুন হলেন এক শিক্ষক
ভারত-মার্কিন সম্পর্কে নতুন অস্থিরতা (US Tariff On India)
বিশ্লেষকদের মতে, রুশ তেল কেনা নিয়ে নয়াদিল্লিকে চাপ দেওয়ার পাশাপাশি ভিসা ও অভিবাসন সংক্রান্ত নিয়মে বড় ধরনের পরিবর্তনের হুঁশিয়ারি দুই দেশের সম্পর্ককে আরও জটিল করতে পারে। বিশেষত, ভারতীয় আইটি শিল্প আমেরিকান অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। তবুও ট্রাম্প প্রশাসন অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক স্বার্থে এই পদক্ষেপ নিতে চলেছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।