Last Updated on [modified_date_only] by Debu Das
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল : চিনের রাজধানী বেজিংয়ে আগামী ৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ৮০তম বিজয় দিবসের কুচকাওয়াজ(V Day Parade In China)। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসান এবং জাপানের বিরুদ্ধে যুদ্ধজয়কে কেন্দ্র করে প্রতি বছর এই দিনটি উদযাপন করে চিন। এ বছর বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ এই আয়োজনে ২৬টি দেশের শীর্ষ নেতাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে বেজিং।
পুতিন ও কিমের উপস্থিতি নিশ্চিত (V Day Parade In China)
চিনের সহকারী বিদেশমন্ত্রী হং লেই জানিয়েছেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং উত্তর কোরিয়ার সর্বাধিনায়ক কিম জং উন এই কুচকাওয়াজে যোগ দেবেন(V Day Parade In China)। এছাড়াও কারা আমন্ত্রিতদের তালিকায় রয়েছেন তা এখনও স্পষ্ট না হলেও আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে এটি বড় বার্তা বলে মনে করা হচ্ছে।
এসসিও সম্মেলনের সঙ্গে যোগসূত্র (V Day Parade In China)
ঘটনাচক্রে, বিজয় দিবসের আয়োজনে যোগদানের ঠিক আগে তিয়ানজিনে শেষ হচ্ছে সাংহাই কোঅপারেটিভ অর্গানাইজেশন (এসসিও)-এর দু’দিনব্যাপী সম্মেলন(V Day Parade In China)। এই সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীরও। ফলে মোদীর নাম আমন্ত্রিত তালিকায় রয়েছে কি না তা নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। এছাড়া পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং রাষ্ট্রপুঞ্জের মহাসচিব আন্তোনিয়ো গুতেরেসও ওই সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

আরও পড়ুন : US Tariff On India : শুল্ক যুদ্ধের মাঝেও ভারত-আমেরিকা একসঙ্গে এগোবে, আশ্বাস ট্রাম্প প্রশাসনের
কূটনৈতিক বার্তা ও শক্তি প্রদর্শন (V Day Parade In China)
চিন বর্তমানে বিশ্ব অর্থনীতিতে একদিকে আমেরিকার প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও, ট্রাম্প (Donald J. Trump) প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শুল্কনীতি প্রয়োগ করেনি(V Day Parade In China)। ভারতীয় পণ্যে যেখানে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে আমেরিকা, সেখানে চিনের বিরুদ্ধে তুলনামূলক নরম নীতি অবলম্বন করেছে ওয়াশিংটন। এই প্রেক্ষাপটে বিজয় দিবসে বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানদের উপস্থিতি বেজিংয়ের কৌশলগত শক্তিপ্রদর্শনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। পাশাপাশি শি জিনপিঙের প্রশাসন প্রতিবেশী ভারতসহ একাধিক দেশের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নের বার্তাও দিচ্ছে।

আরও পড়ুন : Bangladesh Election : বাংলাদেশের নির্বাচনের খসড়া চুড়ান্ত! ভোট হবে ফেব্রুয়ারিতেই
জাপানের ক্ষোভ ও সম্ভাব্য টানাপড়েন
চিন এ বছর বিজয় দিবসকে ‘জাপানের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের জয়’ হিসাবে তুলে ধরছে(V Day Parade In China)। বিষয়টি নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে টোকিয়ো। জাপানের সংবাদ সংস্থা কিয়োডোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাপান বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের মাধ্যমে বেজিংয়ের পরিকল্পনা নিয়ে সতর্কবার্তাও দিয়েছে। ফলে চীন-জাপান সম্পর্কে নতুন করে টানাপড়েন সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
চিনের বিজয় দিবসের কুচকাওয়াজ তাই শুধুই একটি স্মারক অনুষ্ঠান নয়, বরং আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে একটি কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবেই ধরা হচ্ছে। বিশ্ব রাজনীতির বর্তমান অস্থির প্রেক্ষাপটে এই আয়োজনে পুতিন, কিম জং উনের মতো নেতাদের উপস্থিতি বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।