Last Updated on [modified_date_only] by
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: যদি প্রশ্ন করা হয় গাছ তোমার নাম কি? ফলে মোর পরিচয়, বলতেই পারে গাছ। তবে এ এক অভিনব উদ্যোগ। ‘স্বীকৃতি’ পেতে চলেছে শহরজুড়ে ছড়িয়ে থাকা শতাব্দী প্রাচীন বহু গাছ। কী রকম ‘স্বীকৃতি’ ?এবার ফলের জন্য আর অপেক্ষা করতে হবে না, সেই উত্তর পাওয়া যাবে এক ক্লিকে। চন্দননগর পুর নিগম গাছের কিউ আর কোড বসাচ্ছে।
চন্দননগরের সাবেক ফরাসডাঙাকে আলোর শহর বলা হয়। সেই শহরে যেমন ফরাসী আমলের সৌধ আছে তেমনি শহরের বিবর্তনের সাক্ষী হয়ে যারা আজও বেঁচে রয়েছে সেই গাছেদের জন্য তৈরি হচ্ছে পরিচয় পত্র। চন্দননগর পুরনিগমের বায়ো ডাইভারসিটি ডিপার্টমেন্ট এই কাজ করছে। চলতি ডিসেম্বর মাসেই কিউআর কোড বসানো হবে গাছে। নতুন বছরে স্থানীয় মানুষ ও পর্যটকরা সেই কিউ আর কোড স্ক্যান করে গাছের পরিচয় জানতে পারবেন।
চন্দননগর স্ট্যান্ড রোড চার্চের সামনে গভর্মেন্ট কলেজের সামনে গঙ্গার পাড়ে বহু প্রাচীন গাছ রয়েছে। প্রত্যেকটি গাছের জন্য তৈরি হচ্ছে আলাদা আলাদা কিউ আর কোড। ইতিমধ্যেই গাছের পরিচয় সম্পর্কিত তথ্য নথিভুক্ত করন ও প্রতি গাছের জন্য কিউআর কোড তৈরি করা হয়েছে। গাছের পরিচয় পত্র থেকে যে কোন মানুষ মোবাইল স্ক্যান করে গাছ সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য জানতে পারবেন খুব সহজেই। কি প্রজাতির গাছ কত বয়স কি উপকারিতা আছে কোথায় কোথায় পাওয়া যায় তার যাবতীয় তথ্য এবার এক ক্লিকেই পাওয়া যাবে। আর এমন অভিনব উদ্যোগে রীতিমতো খুশির হাওয়া চন্দননগরে।
আরও পড়ুন: https://tribetv.in/bengal-safari-park-three-tiger-cubs-die-due-to-mother/
চন্দননগর স্ট্যান্ড ও চন্দননগর চার্চের সামনের একাধিক গাছের গায়ে নাম্বারিং করা হয়ে গিয়েছে। তারা কোন প্রজাতির গাছ কি তাদের পরিচয় সেই সম্পর্কিত সকল তথ্য পাওয়া যাবে তাদের পরিচয় পত্র স্ক্যান করে।এই বিষয়ে চন্দননগর মহাবিদ্যালয় কলেজের বোটানি বিভাগে প্রতিটি গাছ আলাদা আলাদা করে সনাক্তকরণ করে কাজ সম্পন্ন করেছে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি হচ্ছে একটি কিউ আর কোড।
আরও পড়ুন: https://tribetv.in/mamata-banerjee-scheduled-to-travel-digha/
যে কিউআর কোড স্ক্যান করতে হবে। প্রাথমিক ভাবে চন্দননগর পাতাল বাড়ি থেকে স্ট্যান্ড ঘাট ও বড়বাজার লাগোয়া এলাকায় ১৫০ থেকে ২০০ টি গাছকে এই কিউআর কোড দেওয়া হবে। যাতে মানুষ খুব সহজেই জানতে পারেন তার নিকট প্রতিবেশী গাছ সম্পর্কে। গুগলের উইকিপিডিয়ার সঙ্গে কিউ আর কোড যোগ করা হয়েছে প্রাথমিকভাবে। সেখান থেকেই মিলবে তথ্য।
ঐতিহাসিক শহর চন্দননগর। সেই শহরের ইমারত যেমন ঐতিহ্যপূর্ণ, ঠিক সেভাবেই শহরের বিবর্তনের ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে আছে একের পর এক গাছ। শহরবাসী ছাড়াও বাইরে তেকে যারা চন্দননগরে ঘুরতে আসেন তাঁরাও এই খবরে খুশি। একটা বড় গাছ দেখে যেমন অনেকেরই মনে প্রশ্ন জাগে এটা কি গাছ, সেই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে এবার থেকে সহজেই।