Last Updated on [modified_date_only] by Debu Das
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করতে চায় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। সেই লক্ষ্যে প্রশাসনিক প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে(Bangladesh Situation)। ঢাকায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কোর কমিটির বৈঠকে ভোটের প্রস্তুতি সংক্রান্ত প্রাথমিক নির্দেশ জারি হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশের শীর্ষ সংবাদমাধ্যম প্রথম আলো।আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে পুলিশ বাহিনীকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্তত দুটি পর্যায়ের মহড়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে—একটি আসছে সেপ্টেম্বরে, অন্যটি ভোটের ঠিক আগে।
মার্কিন বিদেশসচিব রুবিওকে ফোনে জানালেন ইউনূস (Bangladesh Situation)
সোমবার মার্কিন বিদেশসচিব মার্কো রুবিও-র সঙ্গে ফোনে কথা বলেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মুহাম্মদ ইউনূস(Bangladesh Situation)। প্রায় ১৫ মিনিটের ফোনালাপে বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা—এই সমস্ত বিষয়ে আলোচনা হয়।ইউনূস (Muhammad Yunus) রুবিওকে জানিয়েছেন, “বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনই আমাদের অগ্রাধিকার।” পাশাপাশি দেশে সংস্কারমূলক কর্মসূচির অগ্রগতির কথাও তুলে ধরেন তিনি।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের রূপরেখা তৈরি (Bangladesh Situation)
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশে বলা হয়েছে, ভোটকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য উত্তেজনা মোকাবিলায় পুলিশ, র্যাব ও অন্যান্য বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় গড়ে তোলা হবে(Bangladesh Situation)। কোর কমিটির বৈঠকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে এলাকায় এলাকায় ‘ফ্ল্যাগ মার্চ’ এবং সিমুলেশন মহড়া করা হবে।নির্বাচনের আগে বিদ্বেষমূলক প্রচার, সন্ত্রাস বা সহিংসতার আগাম তথ্য সংগ্রহে গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো হবে।

আরও পড়ুন: Russia Ukraine War : উত্তর-পূর্ব ইউক্রেনে সম্মুখ সমরে ৫০ হাজার রুশ সেনা! ভয়াবহ চাপের মুখে কিভ
মার্কিন বিবৃতিতেও উঠে এল নির্বাচন প্রসঙ্গ (Bangladesh Situation)
মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের পক্ষ থেকেও রুবিও-ইউনূস ফোনালাপ নিয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, “রুবিও ও ইউনূস বাংলাদেশ-আমেরিকা দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা, আইনি সংস্কার এবং দক্ষিণ এশিয়ায় নিরাপত্তা ও স্থিতাবস্থার বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।” তবে নির্বাচনের নির্দিষ্ট দিন ঘোষণা না হলেও, সরকার যে ফেব্রুয়ারিকে টার্গেট করছে, তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং আন্তর্জাতিক মহলের সঙ্গে আলোচনার ধরনে(Bangladesh Situation)।
সামনে বহু চ্যালেঞ্জ (Bangladesh Situation)
বাংলাদেশে নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা দীর্ঘদিন ধরেই তুঙ্গে। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্বে মুহাম্মদ ইউনূসকে নিয়ে বিতর্ক থাকলেও, তিনি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে আস্থা অর্জন করতে চাইছেন বলে সূত্রের খবর।বিরোধী দলগুলির অংশগ্রহণ, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের ভূমিকা, এবং ভোটের সময় নিরাপত্তা বজায় রাখা—এই বিষয়গুলিকে সামনে রেখে প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার।

আন্তর্জাতিক নজরদারির কেন্দ্রে ঢাকা (Bangladesh Situation)
বাংলাদেশে নির্বাচন কেবল একটি অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া নয়, এটি আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক নজরদারির বিষয় হয়ে উঠেছে। দক্ষিণ এশিয়ায় গণতন্ত্রের স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে আমেরিকা-সহ পশ্চিমি দেশগুলি ঢাকার পরিস্থিতির দিকে কড়া নজর রাখছে।এই প্রেক্ষিতে মার্কিন বিদেশসচিবের সঙ্গে সরাসরি কথোপকথন এবং পুলিশকে সক্রিয় প্রস্তুতির নির্দেশ, বাংলাদেশের নির্বাচনী ব্যবস্থাকে এক নতুন পর্যায়ে পৌঁছে দিল। এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা—এই নির্বাচন কতটা অবাধ ও গ্রহণযোগ্য হয়, তা দেখার।