Last Updated on [modified_date_only] by Anustup Roy Barman
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: নরওয়ে দাবা টুর্নামেন্টে ক্লাসিক্যাল ফর্ম্যাটে কার্লসেনকে হারানোর (Carlsen Looses to Gukesh) এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে গুকেশ এই জয় পেয়েছেন। এর পরে বড় দাবি করেছেন কার্লসেন।
গুগেশের টানা দ্বিতীয় জয় কার্লসেনের বিরুদ্ধে (Carlsen Looses to Gukesh)
বিশ্বচ্যাম্পিয়ন গুকেশের কাছে টানা দ্বিতীয়বার হারলেন নরওয়ের প্রাক্তন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ম্যাগনাস কার্লসেন (Carlsen Looses to Gukesh)। হার নিয়ে এবার মুখ খুললেন বিশ্বের এক নম্বর দাবাড়ু। বললেন, “আমি এখন চেস একদমই উপভোগ করছি না।” ১৯ বছর বয়সি ভারতীয় গ্র্যান্ডমাস্টার গুকেশ বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই, ২০২৫) SuperUnited Rapid & Blitz প্রতিযোগিতার র্যাপিড ফরম্যাটে আবার হারালেন কার্লসেনকে। এর এক মাস আগেই নরওয়ে চেস ক্লাসিক্যাল ম্যাচে গুকেশ প্রথমবার হারিয়েছিলেন কার্লসেনকে, যেখানে হার মেনে নিতে না পেরে টেবিলের ওপর জোরে আঘাত করে রেগে যান নরওয়েজিয়ান গ্র্যান্ডমাস্টার।
হতাশ কার্লসেন, ছন্দ পাচ্ছেন না (Carlsen Looses to Gukesh)
হারের পর (Carlsen Looses to Gukesh) ‘টেক টেক টেক’ শো-তে কার্লসেন বলেন, “সত্যি বলতে, এখন আমি দাবা খেলতে কোনও আনন্দ পাচ্ছি না। খেলতে নামার সময় আমার মধ্যে কোনও ছন্দ আসছে না। আমি সবসময় দ্বিধায় ভুগছি। খুব খারাপ খেলছি এই মুহূর্তে।” এই জয়ে গুকেশ টুর্নামেন্টে টানা পাঁচটি ম্যাচ জেতেন এবং ছয় রাউন্ড শেষে এককভাবে শীর্ষে উঠে আসেন। কার্লসেন বলেন, “এই ফরম্যাটে ও অসাধারণ খেলছে। এখনও অনেকটা পথ বাকি থাকলেও পাঁচ ম্যাচ টানা জেতা কিন্তু ছোটখাটো বিষয় নয়।”
যাকে ‘দুর্বল’ বলতেন, তার কাছেই হারতে হচ্ছে
গুকেশের ফাস্ট ফরম্যাটে দক্ষতা নিয়ে আগেও প্রশ্ন তুলেছিলেন কার্লসেন। তাকে একাধিকবার ‘দুর্বল’ দাবাড়ু বলেও মন্তব্য করেছিলেন। কিন্তু এখন নিজেই ছন্দহীন হয়ে পড়েছেন। চলতি টুর্নামেন্টে মাত্র একটিই ম্যাচ জিততে পেরেছেন। কার্লসেন বলেন, “এই পুরো টুর্নামেন্টেই আমি খুব বাজে খেলছি। এবার সেটার জন্য যোগ্য শাস্তি পেলাম।” তিনি বলেন, “গুগেশ তার সুযোগ কাজে লাগিয়েছে। মাঝখানে আমি এক সময় পুরোপুরি হেরে গিয়েছিলাম।” সাদা ঘুঁটি নিয়ে খেললেও ম্যাচের ৪৯তম চালে আত্মসমর্পণ করেন কার্লসেন।
শেষ সুযোগ হাতছাড়া, প্রশংসা গুকেশের প্রাপ্য
কার্লসেন বলেন, “আমি খুব ভালো একটা পজিশনে ছিলাম। গুকেশ সি৬ চাল দিয়ে নিজের পজিশন খুলে দিল। তারপরই আমি সময়ের চাপে পড়ে যাই এবং ও অনেক ভালো চাল খুঁজে পেল। একবার শেষ সুযোগ ছিল ম্যাচ ড্র করার, কিন্তু আমি খেলাটা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। কয়েক চাল পর বুঝি, আর ফেরার উপায় নেই।” শেষে যোগ করেন, “খুব বাজে খেলেছি, কিন্তু গুকেশকে পুরো কৃতিত্ব দিতেই হবে। ও খুব ভালো খেলছে, সুযোগের সদ্ব্যবহার করছে।”