Last Updated on [modified_date_only] by Sumana Bera
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: গত কয়েকদিনে হাওড়ার বেলগাছিয়ায় আবর্জনার স্তূপে বিস্ফোরণের ঘটনায় উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনার পর, কলকাতা পুরসভার ধাপা ডাম্পিং গ্রাউন্ডের (Dhapa Dumping Ground) নিরাপত্তা ও তার ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে, এই ডাম্পিং গ্রাউন্ডে বিপুল পরিমাণ আবর্জনা জমা হয়, যার মধ্যে মিথেন গ্যাসের সৃষ্টি হতে পারে। মিথেন গ্যাস একটি দাহ্য পদার্থ, যা যেকোনো সময় বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে। এই পরিস্থিতিতে, কলকাতা পৌরসভা কতটা সতর্ক এবং কী পদক্ষেপ গ্রহণ করছে, তা নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
ভূমি ধস ও মিথেন গ্যাসের ঝুঁকি নিয়ে প্রশ্ন (Dhapa Dumping Ground)
ধাপা ডাম্পিং গ্রাউন্ডের ব্যাপারে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হল, এখানে শুধু কলকাতা পুরসভার অন্তর্গত অঞ্চলের জঞ্জাল ফেলা হয়, না কি অন্য পুরসভারও জঞ্জাল এখানে জমা হয়। বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে, ধাপা ডাম্পিং গ্রাউন্ডে শুধু কলকাতা শহরের জঞ্জালই নয়, পাশাপাশি আশেপাশের অন্যান্য পুরসভা থেকেও আবর্জনা এখানে আনা হয়। ফলে, এটির ওপর চাপ বাড়ছে এবং এর ব্যবস্থাপনা আরও কঠিন হয়ে পড়ছে।

আরও পড়ুন: Electricity Demand: গ্রীষ্মে বিদ্যুতের রেকর্ড চাহিদা! ১০ হাজার মেগাওয়াট ছুঁল পশ্চিমবঙ্গ
এছাড়া, ধাপা ডাম্পিং গ্রাউন্ডের (Dhapa Dumping Ground) সংলগ্ন ভূমি ধস রোধ করতে কলকাতা পুরসভা কি নিয়মিতভাবে ‘Soil Testing’ করে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যদিও পুরসভা কর্তৃপক্ষের দাবি, তারা এই বিষয়ে নিয়মিত মনিটরিং করে থাকে, তবে তবুও সঠিক পদক্ষেপের অভাব এবং উপযুক্ত পরীক্ষার প্রতি সন্দেহ থেকে যায়।
কলকাতা পুরসভার মেয়র পারিষদ দেবব্রত মজুমদার সাফ জানিয়েছেন, ‘‘আমরা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে জঞ্জাল পরিষেবার জন্য কোনও কর আদায় করি না।’’ কিন্তু এর পরেও, বিস্ফোরণের ঝুঁকি ও পরিবেশগত সমস্যা নিয়ন্ত্রণে ত্বরিত পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন বিশ্লেষকরা।

আরও পড়ুন: Jorasanko Murder Case: চলছিল মদ্যপান! হঠাৎ বচসার জেরে কাঁচের বোতল ভেঙে বন্ধুর গলায় ঢুকিয়ে খুন
রাজ্যের বিদ্যমান অবকাঠামো এবং নিয়মিত তত্ত্বাবধানে এমন দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব। তবে, এই ধরনের পরিস্থিতিতে আরও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং যথাযথ মনিটরিং সিস্টেম চালু করা জরুরি (Dhapa Dumping Ground)। পুরসভা কর্তৃপক্ষের কাছে চূড়ান্ত দাবি, ত্বরিত পদক্ষেপ নিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, যাতে ভবিষ্যতে এমন বিপর্যয় এড়ানো যায়।