Last Updated on [modified_date_only] by Ananya Dey
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল : আরও চরমে নির্বাচন কমিশন বনাম রাজ্যের সংঘাত। চার সরকারি আধিকারিকের বিরুদ্ধে সাসপেনশন ও এফআইআরের নির্দেশ অমান্য করায়, এবার কড়া পদক্ষেপ করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে (Manoj Pant) দিল্লিতে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামীকাল, বুধবার বিকেল ৫টার মধ্যে তাঁকে কমিশনের দফতরে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।
কী ঘটেছে ? (Manoj Pant)
বিষয়ের সূত্রপাত বারুইপুর পূর্ব এবং ময়না বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার তালিকায় কারচুপির অভিযোগ থেকে (Manoj Pant)। এই অভিযোগের ভিত্তিতে কমিশন নির্দেশ দেয়, বারুইপুর পূর্বের ইআরও দেবোত্তম দত্ত চৌধুরী, সহকারী ইআরও তথাগত মণ্ডল, ময়নার ইআরও বিপ্লব সরকার এবং সহকারী ইআরও সুদীপ্ত দাস সহ ডেটা এন্ট্রি অপারেটর সুরজিৎ হালদারের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে হবে। তাঁদের সাসপেন্ড করে এফআইআর দায়েরের কথা বলা হয়।
আর পড়ুন : SIR: ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা! SIR-এর প্রতিবাদে হাইকোর্টের সামনে আত্মহত্যার চেষ্টা
নির্দেশ মানেনি রাজ্য (Manoj Pant)
কিন্তু রাজ্য সরকার কমিশনের সেই নির্দেশ মানেনি। সোমবার মুখ্যসচিব (Manoj Pant) একটি চিঠি পাঠিয়ে জানান, চারজনকে সাসপেন্ড বা তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হবে না। এর পরিবর্তে ময়নার সহকারী ইআরও সুদীপ্ত দাস এবং ডেটা এন্ট্রি অপারেটর সুরজিৎ হালদারকে ভোটের কাজ থেকে সরানো হয়েছে। রাজ্যের যুক্তি, এখনই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিলে এই অফিসারদের মনোবল ভেঙে যাবে এবং তা অন্য আধিকারিকদের উপরেও প্রভাব ফেলবে।
আর পড়ুন : RG Kar Protest: পুলিশের লাঠিচার্জে আহত অভয়ার মা, থানায় অভিযোগ অভয়ার বাবার
মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে দিল্লিতে তলব
রাজ্যের এই অবস্থানেই অসন্তুষ্ট জাতীয় নির্বাচন কমিশন। তাদের বক্তব্য, জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫০ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। মুখ্যসচিবের জবাবে বলা হয়েছে, বিষয়টি খতিয়ে দেখতে অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু হয়েছে এবং পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সাসপেনশন বা এফআইআরের মতো পদক্ষেপ নেওয়া যথাযথ নয়। এরপরই, ইমেল মারফত মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে সশরীরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্য সূত্রে খবর, আগামীকাল সকালে তিনি দিল্লির উদ্দেশে রওনা হবেন।