Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: গরমে এক চুমুক ডাবের জল যেমন সতেজতা এনে দেয় (Coconut water), তেমনই শরীরের জল ও খনিজের ঘাটতি পূরণেও এটি কার্যকর। ডাবের জলে সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, জিঙ্ক-সহ নানা গুরুত্বপূর্ণ খনিজ থাকে, যা শরীরের ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। এ কারণেই পুষ্টিবিদরা গরমকালে বা শরীর দুর্বল হলে ডাবের জল খাওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু, অনেকেই জানেন না—এই প্রাকৃতিক পানীয় সবসময় সবার জন্য সমান উপকারী নয়। কিছু বিশেষ শারীরিক সমস্যায় ডাবের জল উল্টে ক্ষতির কারণ হতে পারে।

ডাবের জলের উপকারিতা (Coconut water)
- শরীরে জলশূন্যতা দূর করে।
- গরমে হিটস্ট্রোক প্রতিরোধে সাহায্য করে।
- প্রাকৃতিক ইলেক্ট্রোলাইট সরবরাহ করে।
- হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে।
- ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী।
কিডনির সমস্যা (Coconut water)
কিডনি দুর্বল থাকলে শরীর থেকে অতিরিক্ত পটাশিয়াম বের হয় না (Coconut water)। ডাবের জলে প্রচুর পটাশিয়াম থাকায় তা রক্তে জমে গিয়ে কিডনি ও হৃদ্যন্ত্রের কার্যকারিতা নষ্ট করে দিতে পারে। গুরুতর অবস্থায় জীবনহানির ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।
উচ্চ রক্তচাপ (Coconut water)

ডাবের জল সোডিয়াম-সমৃদ্ধ। যেহেতু সোডিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সরাসরি প্রভাব ফেলে, তাই উচ্চ রক্তচাপের রোগীরা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এটি নিয়মিত খেলে রক্তচাপ আরও বেড়ে যেতে পারে।
ডায়াবেটিস
ডাবের জলে প্রাকৃতিক চিনি থাকে। সীমিত পরিমাণে খেলে সমস্যা না হলেও, অতিরিক্ত ডাবের জল ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের সচেতনভাবে নিয়ন্ত্রণ করে খেতে হবে।
হজমের সমস্যা
কেউ কেউ ডাবের জল খাওয়ার পর ডায়েরিয়া, পেট ব্যথা বা গ্যাসের সমস্যায় ভোগেন। যাঁদের এমন সমস্যা আগে থেকেই আছে, তাঁদের ক্ষেত্রে ডাবের জল হজমের জটিলতা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।
অ্যালার্জি
ডাবের জলে থাকা ট্রোপোমায়োসিন নামক প্রোটিন থেকে অনেকের অ্যালার্জি হতে পারে। বিশেষত যাঁদের অ্যালার্জির ইতিহাস আছে, তাঁদের জন্য ডাবের জল একেবারেই ঝুঁকিপূর্ণ। এতে চুলকানি, শ্বাসকষ্ট বা চামড়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে।
আরও পড়ুন: Rajinikanth-Mithun: রজনীকান্ত ও মিঠুনের বিরল পুনর্মিলন, এক ছবিতে দুই সুপারস্টার!
ডাবের জল নিঃসন্দেহে একটি প্রাকৃতিক স্বাস্থ্যকর পানীয়। তবে ‘সবাইয়ের জন্য সবকিছু সমান ভালো’—এ ধারণা সঠিক নয়। কিডনির রোগী, উচ্চ রক্তচাপ বা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ডাবের জল খাওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। আর সুস্থ মানুষদের ক্ষেত্রেও এটি প্রতিদিন সীমিত পরিমাণে পান করাই সবচেয়ে নিরাপদ।