Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: দল থেকে বাদ দেন ধোনি। সেই সময় অবসরের পরিকল্পনাও করে ফেলেন এক কালের দাপুটে ওপেনার বীরেন্দ্র সেওয়াগ (Virender Sehwag)। কিন্তু কার পরামর্শে আবার সিদ্ধান্ত বদল এবং বিশ্বকাপ জয়, সেই কথাই জানানেল নজফগড়ের নবাব।
অবসরের সিদ্ধান্ত বদল বীরুর (Virender Sehwag)
ভারতের হয়ে একসময় যখন ব্যাট হাতে ওপেন করতে নামতেন বীরেন্দ্র সেওয়াগ তখন তাবড় তাবড় বোলাররাও তাঁকে ভয় পেতেন। ব্যাট হাতে যেমন বিধ্বংসী তিঁনি তেমনই কথাও বলতে পছন্দ করেন সোজা সাপ্টা। সর্বসেরা ওপেনারদের প্রসঙ্গ উঠলে তাঁর নাম আসবেই। টেস্ট হোক বা এক দিনের ম্যাচ, নিজের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে শুরুতেই বিপক্ষের মনোবল ভেঙে দেওয়ার কাজ করতেন নিজস্ব দক্ষতায়।
নিজেই এক অজানা তথ্য প্রকাশ করেছেন নজফগড়ের নবাব। একসময় ভেবেছিলেন খেলা থেকে অবসর নিয়ে নেবেন। কিন্তু ক্রিকেটের ঈশ্বর শচিনের পরামর্শে তিঁনি নিজের সিদ্ধান্ত বদল করেন (Virender Sehwag)।
সালটা ২০০৭-২০০৮ ভারত ধোনির নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়া যায় ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলতে। সেই সময়ে সেওয়াগের ফর্ম তেমন ছিল না আর সেই কারণেই দল থেকে তাঁকে বাদ দেন ধোনি। বীরু সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন সেই সময় তিঁনি ভেবেছিলেন খেলা থেকে অবসর নিয়ে নেবেন কিন্তু সেই সময় অবসর নিলে বিশ্বকাপ অধরাই থেকে যেত। সেই সিদ্ধান্ত থেকে নিজেকে বিরত রাখেন শচীনের কথা শুনে (Virender Sehwag)।
আরও পড়ুন: Artificial Intelligence: প্রযুক্তি চালনা করছে না তো মানুষকে?
ভারতের এই প্রাক্তন ওপেনার বলেছেন, সেসময় তিনি শচিনের কাছে গিয়ে বলেন, ওয়ানডে থেকে অবসর নেওয়ার কথা ভাবছেন তিঁনি। সেই সময় শচিন তাঁকে বলেন ‘আমি ১৯৯৯-২০০০ সালে একই রকম সময় পার করেছি, তখন আমারও মনে হয়েছিল ক্রিকেট ছেড়ে দেওয়া উচিত। কিন্তু সেই খারাপ সময় পার হয়ে যায়। খারাপ সময় বেশিদিন থাকে না।’ শচিন তাই বীরুকে আবেগপ্রবণ হয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে বারণ করেন এবং বলেন এক বা দুটি সিরিজের জন্য নিজেকে সময় দিতে এবং তারপর যাতে সিদ্ধান্ত নেন তিঁনি’।

শচিনের কথা মতো অবসরের সিদ্ধান্ত থেকে বিরত থাকেন এবং দলে দুর্দান্তভাবে ফিরে আসেন তিঁনি। কিন্তু সেই সময় যদি তিঁনি অবসর নিয়ে নিতেন তবে ২০১১ সালের বিশ্বকাপ জয় অধরাই থাকতো। ২০১১ সালের বিশ্বকাপে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য (Virender Sehwag)।
বীরেন্দ্র সেওয়াগ ২৫১টি ওয়ানডে ম্যাচে ভারতের হয়ে ১০৪.৩৩ স্ট্রাইক রেট-সহ ৮২৭৩ রান করেন, যার মধ্যে ১৫টি সেঞ্চুরি এবং ৩৮টি হাফ-সেঞ্চুরি রয়েছে। ২০১৫ সালে বীরু সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর নেন (Virender Sehwag)।